গাইবান্ধায় ধর্মঘট প্রত্যাহার : খোলা হয়েছে ওষুধের দোকান

190
gb

 

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা||

 প্রায় ৩০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পরগাইবান্ধা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির ডাকে অনির্দিষ্টকালেরওষুধের দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ওষুধের দোকান খোলারসিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।শুক্রবার রাতে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদের মধ্যস্থতায়
পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্তগ্রহণের পর ওষুধের দোকান খোলেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় ওষুধেরদোকানগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা যায়।বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি গাইবান্ধা জেলা শাখার
সভাপতি মো. আব্দুর রশিদ মুঠোফোনে বলেন, প্রশাসনের উদ্যোগেশুক্রবার রাত আটটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত গাইবান্ধা পুলিশ সুপার
কার্যালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আমাদের সমিতিরকেন্দ্রীয় নেতা, গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি
শাহজাদা আনোয়ারুল কাদিরসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ওইবৈঠকে সমস্ত ওষুধের দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরেব্যবসায়ীরা ওষুধের দোকান খোলেন। এ ছাড়া দুইপক্ষের দায়েরকৃত মামলাদুইটি আইনি প্রক্রিয়ায় চলবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এর আগে গাইবান্ধায় ছাত্রলীগ এবং ওষুধ ব্যবসায়ীদের দ্বন্ধেসঢ়;দ্ব সদরহাসপাতালে ভর্তি হয়েও ওষুধ না পাওয়ায় শুক্রবার বিকেলে রংপুর মেডিকেলকলেজ (রমেক) হাসপাতালে দুইজন শিশু রোগীকে রেফার্ড করা হয়।দ্#ু৩৯;জনেরই বয়স একদিন করে।এদের মধ্যে একজনের নাম বাবু। সে সাঘাটা উপজেলার উল্ল্যা সোনাতলাগ্রামের তৌহিদুল ইসলামের ছেলে। অপরজনের নামও বাবু। তারবিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। এ ছাড়া ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায়হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা বিপাকে
পড়েন।শুক্রবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত ইমার্জেন্সিমেডিকেল অফিসার (ইএমও) ডা. সোহেলী সৈয়দ বলেন, ওষুধ সংকটেরকারণে শুক্রবার বিকেলে দুইজন শিশুকে রমেকে রেফার্ড করা হয়েছে। এরমধ্যে একজন শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে ও অপরজন বিকেল সাড়েতিনটার দিকে জন্ম নেয়। তাদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ওষুধহাসপাতালে না থাকায় ও বাইরের সকল ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় তাদেরকেরমেকে রেফার্ড করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন হাসপাতাল ভর্তি ছিল ওঅপরজনকে জরুরি বিভাগ থেকেই রেফার্ড করা হয়।শুক্রবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সকল ওষুধের
দোকান বন্ধ দেখা গেছে। এ ছাড়া কয়েকজন রোগীকে গাইবান্ধারকোনো হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি না করে সরাসরি রংপুর মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ কারণেহাসপাতাল ও এর আশেপাশে কোনো অ্যাম্বুলেন্স দেখা যায়নি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি গাইবান্ধা জেলাশাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের উপর হামলাকারী ও জীবননাশেরচেষ্টাকারীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেগাইবান্ধার সমস্ত ওষুধের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।এর আগে গাইবান্ধা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকতানজিল আহমেদ মোনার বোন শারমিন আক্তারের সাথে কথা কাটাকাটিরসূত্র ধরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে ওষুধ ব্যবসায়ীদের দ্বন্ধসঢ়;দ্ব শুরু হয়।