কোটালীপাড়ায় পিঞ্জুরী ইউপি’র তথ্য উদ্যোক্তা সিফাত এর জন্ম নিবন্ধনে চাঁদাবাজি

178
gb

এম আরমান খান জয়,গোপালগঞ্জ :
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ১১নং পিঞ্জুরীইউনিয়ন পরিষদের তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তাসিফাত আহম্মেদ এর বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন সনদেরতথ্য প্রদানে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগপাওয়া গেছে। সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলারপিঞ্জুরী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পূর্নবতীগ্রামের হান্নান মোল্লার ছেলে সালমান মোল্লারথেকে ৫ হাজার ২ শত টাকা, ৩নং ওয়ার্ডেরআলীঠাপাড়া গ্রামের ওমর শেখের ছেলে ইয়ামিনশেখের থেকে ১ হাজার একশত টাকা, আলম শেখেরমেয়ে জান্নাতি খানমের থেকে ১ হাজার টাকা,নাজমুল শেখের মেয়ে নাহিদা খানম ও নাইমা খানমদুই জনার থেকে ২ হাজার তিনশত টাকা, আবুলকালামের ছেলে ফাহিম শেখের থেকে ১ হাজার টাকাকরে, জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রেনিয়েছেন উদ্যোক্তা সিফাত আহম্মেদ। এছাড়াওবিভিন্ন ওয়ার্ডের একাধিক অভিভাবক বৃন্দসাংবাদিকদের বলেন- জন্ম নিবন্ধন সনদ ছাড়া ছেলেমেয়েদেরকে স্কুলে ভর্তি করাতে পারছি না। অন্যদিকেজন্ম নিবন্ধন সনদ আনতে পরিষদে গেলে হয়রানিরস্বিকার হতে হয়, সিফাত আহম্মেদ হাজার হাজাটাকা চায়। এছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিশু ওঅভিভাবকদের বেলা ১২টার সময় ও ঐ ইউনিয়ন পরিষদেজন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়।তারা বলেন- আমরা সকাল থেকে বেলা ১২টা পর্যন্তবসে আছি। এই তথ্য কেন্দ্রের উদ্যোক্তা এখনও পর্যন্তইউনিয়ন পরিষদে আসেননি, আমারা না খেয়ে তারঅপেক্ষায় বসে আছি। তারা আরও বলেন- আমাদেরকাছে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টাকার চেয়ে ওঅতিরিক্ত টাকা দাবি করে, যার কারনে আমাদের
হয়রানির স্বিকার হতে হচ্ছে। আমরা গরিব মানুষ দিনআনি দিন খাই, শিশু বাচ্চাদের জন্ম নিবন্ধন সনদছাড়া স্কুলে ভর্তিও করাতে পারছি না। এ ব্যাপারেপিঞ্জুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদসিকদার আলাপ কালে বলেন- উদ্যোক্তা সিফাতআহম্মেদ এর দূর্নিতি ও অসৎ আচরনের কথা এলাকারজনগন আমাকেও বলেছে, আমি তার ব্যাপারে উপজেলানির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ
দিয়েছি। এ সময় অন্যান্য ইউপি সদস্য বৃন্দ ও উপস্থিত ছিলেন।