পাইকগাছায় ১৯০ হেক্টর জমিতে খরা সহিষ্ণু উন্নত জাতের গমের আবাদ

212
gb

 

মোঃ আব্দুল আজিজ, পাইকগাছা, খুলনা||
পাইকগাছায় ১৯০ হেক্টর জমিতে উন্নত জাতের খরা সহিষ্ণু গমের আবাদকরা হয়েছে। বর্তমানে গম ফসলে থোড়, ফুল ও নরম দানা অবস্থায় রয়েছে। আবহাওয়াঅনুকূলে থাকলে ভাল ফলন হবে এবং বিঘা প্রতি ৯ থেকে ১০ মন উৎপাদন হবে বলেআশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ কর্তৃপক্ষ। এদিকে এলাকার কৃষকরা ধীরেধীরে ধান চাষে ঝুঁকে পড়ায় প্রতিবছর কমে আসছে গমের আবাদ। ফলে চলতিমৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩২০ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ কম হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্রমতে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৫১০ হেক্টরজমিতে গমের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার স্থলে ১৯০হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে ৮০ হেক্টর বারি গম- ২৫, বারি গম-২৬,৬০ হেক্টর ও ৫০ হেক্টর বারি গম- ২৮। আবাদকৃত ১৯০ হেক্টরের মধ্যে হরিঢালীইউনিয়নে ৬০ হেক্টর, কপিলমুনি ইউনিয়নে ৫০ হেক্টর, রাড়–লী ইউনিয়নে ৫০ হেক্টর,গদাইপুর ইউনিয়নে ২০ হেক্টর, চাঁদখালী ইউনিয়নে ৫ হেক্টর ও গড়ইখালী ইউনিয়নে৫ হেক্টর। মালথ গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম মোড়ল বলেন, চলতি মৌসুমে আমি৩ বিঘা জমিতে গমের আবাদ করেছি। বর্তমানে ফসলের লক্ষণ দেখে আশা করছি এবছর গমের ভাল ফলন হবে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীরআলম জানান, গম বহুমুখী একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল। গম দানাদার খাদ্য শস্য, খাদ্যসামগ্রী, গো-খাদ্য এবং হাস-মুরগীর খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।এছাড়াও গম গাছ ঘরের ছাউনি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তবে লবণাক্তএলাকায় গম চাষ করা একটু কঠিন। তারপরও প্রতিবছর এলাকার কৃষকরা গমের আবাদকরে থাকে। বিগত বছরেও ৫১০ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়ে ছিল। কিন্তু গমেরআবাদ করা অনেক কৃষক এ বছর বোরো চাষে ঝুঁকে পড়েছে। ফলে বিগত বছরেরচেয়ে এ বছর কিছুটা গমের আবাদ কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের সার্বিকমনিটরিং ব্যবস্থাপনার কারণে এখনো পর্যন্ত ফসলের লক্ষণ অনেক ভালো রয়েছে।আশা করছি আবহাওয়া অনুকূল থাকলে বিঘা প্রতি গমের উৎপাদন সাড়ে ৯ টন ছাড়িয়ে যাবে।