জালালাবাদ এসোসিয়েশন লন্ডনের উদ্যোগে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হককে সংবর্ধণা

346
gb

জালালাবাদ এসোসিয়েশন, লন্ডনের উদ্যোগে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হকের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধণায় প্রবাসে জন্ম ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশমূখি করতে ‘ডিসকভার সিলেট’ কর্মসূচী চালুর আহবান জানানো হয়েছে।
সংগঠনের আহবায়ক মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি মাহবুব রহমানের পরিচালনায় রবিবার পূর্ব লন্ডনের হলিডে ইন হোটেলে আয়োজিত এ সংবর্ধণায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ইকবাল আহমদ ওবিই, চ্যানেল এস চেয়ারম্যান আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী, কমিউনিটি নেতা কেএম আবু তাহের চৌধুরী, ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারী এম এ মুনিম, ব্যবসায়ী মাহতাব চৌধুরী ও মোজাহিদ চৌধুরী প্রমূখ। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মহিব চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক ও সদ্য প্রকাশিত ‘লন্ডনে মওলানা ভাসানী’ গ্রন্থের লেখক নজরুল ইসলাম বাসন, ব্যারিষ্টার নজির আহমেদ, সাংবাদিক তাইসির মাহমুদ ও সাংবাদিক আব্দুল কাইয়ুম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি মুহিবুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের পর মেয়র আরিফুল হক সিলেট নগরীর চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড ও ভবিষ্যত উন্নয়নে তাঁর পরিকল্পনার বিশদ বর্ণনা দেন। নগরীর পয় নিস্কাশন, ড্রেনেজ, রাস্তা প্রশস্তকরণ, শিক্ষা, রেষ্টুরেন্টগুলোর ফুঁড হাইজিনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছেন জানিয়ে মেয়র বলেন, জনগণের সহযোগিতা ও সরকারী অনুদান সিলেটবাসীর স্বপ্ন পূরণে আমাকে সাহস জোগাচ্ছে।
বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ইকবাল আহমদ ওবিই তাঁর বক্তব্যে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশমূখি করতে ‘ডিসকভার সিলেট’ কর্মসূচী চালুর আহবান জানিয়ে মেয়রের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের সময় শেষ, আমরা চাই এবার আমাদের সন্তানরা সিলেটমূখী হোক। তিনি বলেন, প্রবাসী এই প্রজন্ম বিশ্ব ঘুরে বেড়ায়। মালেয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ইন্ডিয়া ঘুরে। সিলেটকে তাদের সামনে আকর্শনীয় করে তুলে ধরতে পারলে পিতৃভূমিই হতে পারে তাদের মূল হলিডে ডেস্টিনেশন।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভরপুর সিলেটের পর্যটন স্পটগুলো দেশী-বিদেশী পর্যটকদের সামনে তুলে ধরতে মেয়র আরিফের কাছে ডিজিটাল পদ্ধতির পরিকল্পিত উদ্যোগ কামনা করেন ইকবাল আহমদ।
চ্যানেল এস চেয়ারম্যান আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী সিলেটের একটি সড়কের নাম ‘ব্রিকলেইন’ রাখার পরামর্শ দেন মেয়রকে। তিনি বলেন, লন্ডনের ব্রিকলেন অবিকল যদি সিলেটে করা যায়, তাহলে এই ব্রিকলেন খুঁজতে আমাদের সন্তানরা সিলেটকে তাদের হলিডে ডেষ্টিনেশন করতে পারে।
কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী দেশে প্রবাসীদের হয়রানী বন্ধে মেয়রের সহযোগিতা কামনা করেন।
সিলেটের উন্নয়নে বক্তাদের পরামর্শ বাস্তবায়নে সম্ভব সব উদ্যোগ নেবেন বলে মেয়র আরিফ সংবর্ধণায় উপস্থিত সূধীদের আশ্বস্থ করেন।