পলাশবাড়ী উপজেলা জুড়ে কাঁকড়া ও ট্রলি নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

237
gb

 

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা||

গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার শহর, বন্দর ও গ্রামীণ জনপদে যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা ও পাকাসড়কগুলো দিয়ে অবৈধভাবে বেপরোয়া গতিতে মহেন্দ্র (কাঁকড়া),শ্যালো ইঞ্জিন চালিত ট্রলি ও ভটভটি ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করায়সর্বসাধারণের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। যে কোনো সময়মারাত্মক দূর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়াকোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাদের অভিভাবকগণ চরম উদ্বেগ আরউৎকণ্ঠায় রয়েছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব যানবাহনের কোনো রকম রুট পারমিশন
(রাস্তায় চলাচলের অনুমতি) নেই। তারপরেও লাইসেন্স বিহীন, অপ্রাপ্তবয়স্ক ও অদক্ষ চালকেরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নাকের ডগায় অবাধেএসব যানবাহন চলাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসবযানবাহনের চলাচলের দৃশ্য দেখেও না দেখার ভান করছেন। তাদের এমন মৌনভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।সরেজমিনে দেখা জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যস্ততমসড়ক মহাসড়ক থেকে শুরু করে পাকা ও মেটো পথগুলো দিয়ে প্রতিনিয়তইএসব কাঁকড়া ও ট্রলিতে করে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত মাটি, ইট, বালি,
সিমেন্ট, রডসহ নানা ধরণের পণ্য সামগ্রী বিভিন্ন স্থানেনির্বিঘ্ধেসঢ়;ন বহন করা হচ্ছে। বিদ্যমান এ পরিস্থিতিতে বিশেষ করে
অধিকাংশ গ্রামীণ কাঁচা সড়ক কোনো কোনো স্থানে দুই ধার ধসেপড়ে অসংখ্য খানা খন্দে ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।শুধু তাই নয় এ সড়কগুলোর উপর দিয়ে এমন সব ভারী যানবাহন যত্রতত্র চলাচলকরায় কোথাও কোথাও বিশাল আকারে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে যে
কোনো সময় সড়কটি ভেঙ্গে গিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে বলে ভুক্তভোগীরা মনে করছেন।এর দানবীয় চলাচলে আতংঙ্কিত জনসাধরন আরো জানান, বিশেষ করেবর্ষাকাল শুরু হলে সড়ক গুলোতে পানি জমে থাকায় প্রায় পুরো বর্ষামৌসুম জুড়ে কর্দমাক্ত হয়ে থাকে। এতে অবহেলিত এ সড়কগুলো চলাচলেরজন্য একেবারে অযোগ্য হয়ে পড়ে। এ সময় আমদের রিক্স-ভ্যান, বাইসাইকেলও মোটর সাইকেলসহ সব ধরণের যানবাহনে চলাচল করতে চরম বিড়ম্বনায়পড়তে হয়। এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচলও অনেকটা দুষ্কর হয়ে পড়ে।
পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের স্কুলগামী শিক্ষার্থীরঅভিভাবক জহুরুল ইসলাম, মঞ্জু, আনোয়ার, রঞ্জু, রহিমাসহ অনেকে বলেন,যেভাবে রাস্তা দিয়ে কাঁকড়া ও ট্রলিগুলো চলাচল করে এতে ছেলে মেয়েদের একা স্কুলে পাঠাতে খুব ভয় হয়। এ কারণে তারা নিজেদের
দায়িত্বেই সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যান।পলাশবাড়ী উপজেলা এলাকা হতে বন্দরের বিভিন্ন রাস্তায় এভাবে চলাচল করে কাঁকড়া গুলো আতংঙ্কিত ও শংঙ্কিত পথচারী ছলেমান ও জাইদুল জানান, এই গতি দানবদের দৈড়াত্তে শিশুদের পাশাপাশি বড় রাও আতংঙ্কিত।