মহাকবি মধুসূদন পদক পাচ্ছেন উপ-সচিব সাবিনা ইয়াসমিন

819
gb

 

মোঃ আব্দুল আজিজ, পাইকগাছা, খুলনা ||
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের উপ-সচিব, পাইকগাছার কৃতিসন্তান ও বর্তমান সময়ের সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী কবি সাবিনাইয়াসমিন মালা ‘মহাকবি মধুসূদন পদক পাচ্ছেন। রচিত কাব্য গ্রন্থ ‘ফেরাবোঅঙ্কুশে’ বইয়ের জন্য যশোর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে “সৃষ্টিশীল কবিতা ওনাটক সাহিত্য” ক্যাটাগরিতে সাবিনা ইয়াসমিনকে ‘মহাকবি মধুসূদন পদক২০১৮’ এর জন্য মনোনিত করা হয়। তিনি আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টায় যশোরকেশবপুরের সাগরদাঁড়ীতে অনুষ্ঠিত মধুমেলা ২০১৮ এর সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথি খুলনাবিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়ার নিকট থেকে পদকগ্রহণ করবেন। উলে­খ্য, সাবিনা ইয়াসমিন ১৯৭২ সালের ১ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলারপাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের মেলেকপুরাইকাটী গ্রামে একসম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শহীদ শেখ মাহাতাব উদ্দীন মনি মিয়া, মাতা সালমা বেগম। প্রশাসনের উচ্চ পদে চাকুরীর পাশাপাশি তিনিনিয়মিত সাহিত্য চর্চা করেন। তার প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ লোভ দেখলেওজুঁই-চন্দন (১৯৯৪) এরপর প্রকাশিত গ্রন্থ হচ্ছে বলিতে ব্যাকুল (২০০০),পূর্ণিমার পর দিন (২০১০), জলে-জ্যোৎনায়, এই অবেলায় (২০১৩) নিঃস্বরের গান(২০১৪), ফেরাবো অঙ্কুশে (২০১৫), তমোঘœা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস (২০১৫),চিবুকে নীল জোনাকি ও অপরাহ্নের পায়ে অন্যতম। সাবিনা ইয়াসমিন এর আগেজনপ্রশাসন পদক ২০১৭ ও উপকূল সাহিত্য পরিষদের বিশেষ সম্মাননা সহ অসংখ্যপুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। এদিকে মধুসূদন পদকের জন্য মনোনীত হওয়ায়সাবিনা ইয়াসমিনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উপকূল সাহিত্য পরিষদেরপ্রতিষ্ঠাতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী, সভাপতি সরদারমোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, সম্পাদক বিকাশেন্দু সরকার, শিবসা সাহিত্য অঙ্গনেরসভাপতি সুরাইয়া বানু, সম্পাদক লুৎফা ইসলাম, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সম্পাদক এন ইসলাম সাগর সহ বিভিন্নসামাজিক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।