আল কুরআন এক অনন্য গ্রন্থ

মুফতি রফিক বিন বদরুল হুদা

মহান আল্লাহ তা’আলা মানুষের হেদায়াতের জন্য পৃথিবীতে মোট ১০৪ খানা আসমানি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। এর মধ্যে সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব হল মহাগ্রন্থ আল-কোরআন। যা ইমামুল আম্বিয়া মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর উপর অবতীর্ণ হয়েছে। ভাষায়, লালিত্যে, মাধুর্য্যে, বর্ণনায়, ছন্দের অপূর্ব ঝংকারে, বক্তব্যের স্বচ্ছতা ও নিখুঁত গভীরতায় পবিত্র কোরআনে এক অনন্য গ্রন্থ। সত্যিই কোরআন বিজ্ঞানীদের জন্য এক বিজ্ঞান সংস্থা। ভাষাবিদদের জন্য এক শব্দকোষ। ব্যাকরণবিদদের জন্য এক ব্যাকরণ গ্রন্থ এবং আইন-বিধানের এক বিশ্বকোষ। প্রকৃতপক্ষে কুরআনের পূর্ববর্তী কোন গ্রন্থই এর একটি মাত্র সুরার সমকক্ষ বলে বিবেচিত হয়নি। তাই পবিত্র কুরআন এক অনন্য মহাগ্রন্থ।
এতে রয়েছে আত্মগঠনের মন্ত্র, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মহৎ পরিকল্পনা, যা কিনা দুনিয়ার অন্য কোন গ্রন্থে নেই।

আল কুরআন এক কালজয়ী মহাগ্রন্থ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সর্বশেষ্ঠ মো’জিযা। স্বকীয়তায়, নির্ভূলতায়, বিষয় ও বৈচিত্র্যে, ভাষা ও গুণে, জ্ঞান-বিজ্ঞানে, শিল্প-সাহিত্যে, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে, সূর ও ছন্দে, জীবনের সকল সমস্যার সমাধানে মোটকথা সামগ্রিকভাবেই কোরআন বিস্ময়কর জীবন্ত শাশ্বত গ্রন্থ।

এই পবিত্র কুরআন ইসলামী জীবন দর্শন ও জীবন ব্যবস্থা তথা ইসলামী শরীয়তের মূলনীতি ও অনুশাসনের উৎস। তার উপরে ইসলামের সম্পূর্ণ ইমারতের অবকাঠামো অধিষ্ঠিত। আল্লাহ তা’আলা মানুষকে তার খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এবং তাদের উপর বিশেষ দায়িত্ব ও কর্তব্য আরোপ করেছেন। অার আল্লাহর সেই খিলাফতের দায়িত্ব সুষ্টভাবে অাঞ্জাম দেয়ার জন্য মহাগ্রন্থ আল-কুরআনকে পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থার উৎস হিসেবে অবতীর্ণ করা হয়েছে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন