মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২৩৪ মুক্তিযোদ্ধা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ফলমূল

65
gb

জিবিনিউজ 24 ডেস্ক //

মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির ‘শ্রেষ্ঠ সন্তান’ অভিহিত করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ‘দেশের জন্য ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাই মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের উত্তরাধিকারীদের কল্যাণে যা কিছু প্রয়োজন, তা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার করছেন।’

সোমবার (১ জুন) দুপুরে পরিবেশ মন্ত্রী মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মুক্তিযোদ্ধাগণের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ফলমূল বিতরণ অনুষ্ঠানে, ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

করোনা সংকটে উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ২৩৪ জন জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভিটামিন সমৃদ্ধ মৌসুমি ফল। প্রত্যেক ঝুড়িতে ছিল চারটি আনারস, দুই কেজি আম, ৫০টি লিচু, ৩ হালি কলা এবং ২ হালি লেবু।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও বীরত্বের কাহিনী জানাতে হবে। যাতে তারা মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা, দেশের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও সামগ্রিক মুক্তিযুদ্ধকে বুঝতে পারে। না হলে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ আর বীরত্বের কথা ভুলে যাবে।’

বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান।

সাংবাদিক লিটন শরীফের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান।

এসময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, ফণি চন্দ্র শীল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহবায়ক মোহাম্মদ শাহজাহান ও সদস্য সচিব শুভাশিষ দে শুভ্র প্রমুখ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন বয়স্ক মানুষজন। তাই বড়লেখা উপজেলায় ২৩৪ জন বীরমুক্তিযোদ্ধার শারীরিক অবস্থার সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিতে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি’র) নেতৃত্বে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে বীরমুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজ নেওয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই কমিটি খাদ্য সহায়তাসহ অন্যান্য সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখছে। ইতোমধ্যে শতাধিক পরিবার কে এই টিমের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় করোনা সংকটে ২৩৪ জন জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার মৌসুমি ফল পৌঁছানো হয়।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন