পলাশবাড়ীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

104

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা প্রতিনিধি  ।।জিবি নিউজ।।

পলাশবাড়ীর আংশিক বন্যা কবলিত হলেও নিধারিত স্থানে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বিক্রি কম হলেও হাটে কোরবানির গরু উঠেছে প্রচুর। তবে প্রতি বছরের মত ভালো দাম না থাকায় হতাশ সাধারণ বিক্রেতা ও ব্যবসায়িরা।

বন্যার ধকল কেটে উঠতে না উঠতেই ঘরের দরজায় কড়া নাড়ছে কোরবানি ঈদ। ইতিমধ্যেই এসব কোরবানির পশুর হাটে ব্যাপকভাবে উঠতে শুরু করেছে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেঁড়া। উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট পলাশবাড়ী কালিবাড়ীহাট ও মাঠেরবাজার, ঢোলভাঙ্গা, আমলাগছি বিভিন্ন হাটে এবার দেশী গরু, ছাগলের আনাগোনা বেশী। প্রতি বছরের মতো দেখা যাচ্ছে না অন্যান্য ভারতীয় গরু। ভারতীয় গরু হাটে দেখা না গেলেও গরুর দাম অন্যান্য বারের তুলনায় কম হওয়ায় ন্যায্য দাম পাচ্ছে না সাধারণ বিক্রেতা ও ব্যবসায়িরা।

পলাশবাড়ী হাটে গরু বিক্রি করতে আসা মহদীপুর ইউনিয়নের ফরকান্দাপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, আমার এ গরু লালন পালন করতে মোট ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হাটে ক্রেতারা দাম হাকছে ৯০ থেকে ৯৫ হাজার টাকা। আসল টাকাই নেই। লাভতো দুরের কথা। সর্বশেষ তিনি ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হলে গরু বিক্রি করবেন। নয়তো বাড়িতে ফেরত নিয়ে যাবেন।

আরেক গরু বিক্রেতা আনারুল বলেন, ক্রেতাদের রুচি কমে গেছে। এত ভালো মানের গরু দেখেও তাদের মন ভরছে না। ক্রেতাদের দাম বলা দেখে মনে কষ্ট হয়। এত কষ্ট করে গরু পালন করে বাজারে এসে যদি দাম পাওয়া না যায়।তাহলে কষ্ট ছাড়া আর কিছুই না। ক্রেতারা মনে করছে এবারের বন্যার কারণে গরুর দাম কম হবে। কিন্তু বন্যার কারণে গরুকে বেশী দামে খাদ্য কিনে খাওয়া হয়েছে। এটা বুঝে না ক্রেতারা।

কালিবাড়ি হাট ইজারাদার জানান, এ হাটে ক্রেতা এবং বিক্রেতারা যাতে টাকা পয়সা নিয়ে নির্বিঘেœ গরু কেনাবেচা করতে পারে সেজন্য পুলিশি টহল ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুরের ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া জাল টাকা সনাক্তকরণ ব্যবস্থাসহ আমাদের স্বেচ্ছাশ্রমে হাটের চারপাশে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য লোকজন রয়েছে।