দেশ পরিচালনায় সর্বস্তরের জনগণের অধিকার, ক্ষমতা ও কর্র্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার আন্দোলন জোরদার করতে হবে……………..জেএসডি

83
gb

প্রেস বিজ্ঞপ্তি  জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দেশের উপর থেকে আজ জনগণের মালিকানা কেড়ে নেয়া হয়েছে। ফলে তাদের মৌলিক মানবাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার ও ভোটাধিকারও হরণ করা হয়েছে। দেশে আইন-শৃঙ্খলা, বিচারিক ব্যবস্থা, জানমালের নিরাপত্তা সবই কেড়ে নেয়া হয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও জেল-জুলুম চলছে অবাধ গতিতে। হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, দখলবাজী চরম আকার ধারণ করেছে। শিশু থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষষ ও হত্যার মতো নৈতিক অবক্ষয় রোধেও সরকারের কার্যকর কোন উদ্যোগ নেই। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লুটপাট ও বঞ্চনা বেড়েই চলছে। কৃষকদের ১ মন ধান উৎপাদনে খরচ হয় ৮ শত টাকা। এ ধান কাটার সময় সরকার কোন ধান ক্রয় করে না। এ সুযোগে ফরিয়ারা কৃষকদেরকে ৪০০-৫০০ টাকা মন দরে ধান বিক্রি করতে বাধ্য করে। উৎপাদক কৃষকদের ধান বিক্রি শেষ হওয়ার পর সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের নামে ফরিয়াদের কাছ থেকে ১০৪০ টাকা মন দরে ধান ক্রয় করে। এতে কৃষকরা লোকসানের মধ্যে পরে আর ফরিয়ারা প্রতি মনে লাভ করে কমপক্ষে ৫০০ টাকা। এর ফলে আমাদের কৃষি ব্যবস্থা এক বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকুরী সকল ক্ষেত্রেই সরকার দলীয় আনুগত্যই যোগ্যতা বলে বিবেচিত হয়। ফলে মেধা ভিত্তিক নিয়োগ ও যোগ্যতা ভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্য আজ আর হচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে জাতিকে উদ্ধারের জন্যই আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছি। এ ফ্রন্টের কর্মসূচী এবং লক্ষ্যে প্রচলিত রাষ্ট্র-প্রশাসনের পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। ফলে বিগত নির্বাচনের আগে এ ফ্রন্টের পক্ষে শতকরা ৯০ জন মানুষের সমর্থন গড়ে উঠে। এ অবস্থা টের পেয়ে সরকার ৩০ শে ডিসেম্বরের ভোট ২৯ শে ডিসেম্বর রাতেই ডাকাতি করে নিয়ে যায়। তাই বর্তমান পার্লামেন্টকে আমরা প্রত্যখ্যান করেছি। আমরা অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নতুন করে সংসদ নির্বাচন চাই। এ নির্বাচন ও রাষ্ট্র-প্রশাসনের পরিবর্তন এবং তিনবারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ হাজার হাজার রাজনৈতিক নেত-কর্মীকে কারাবন্দী ও অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের এর মতো ফ্যাসিবাদী কর্ম-কান্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। দেশ পরিচালনায় সর্বস্তরের জনগণের অধিকার, ক্ষমতা ও কর্র্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার আন্দোলন জোরদার করতে হবে। এর জন্য ঐক্যফ্রন্টের সাথে অন্যান্য দল, সমাজশক্তি ও শ্রেনী-পেশার জনগনকে যুক্তকরে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। সভার অপর প্রস্তাবে বর্তমানে স্বৈরশাসক বিরোধী গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্র- প্রশাসন ও সংবিধান পরিবর্তন নিশ্চিত করার সংগ্রামকে জোরদার করার জন্য জেএসডি’র কার্যক্রম বৃদ্ধি, বিভিন্ন ইউনিটের কাউন্সিল অনুষ্ঠান, কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন সমাপ্ত করে এ বছরের মধ্যে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সমাপ্ত করে দলকে গতিশীল করার সদ্ধিান্ত গৃহীত হয়। সভায় আগামী ২৪ শে অক্টোবর দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও শিল্পঞ্চল শাখার কাউন্সিল অনুষ্ঠান, কমিটি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ষ্ট জেএসডি গঠন ও পুনর্গঠন সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আজ সকাল ১১ টায় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র মিলনায়তনে জেএসডি কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় এসকল সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। জনবা আ স ম আবদুর রব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির এ সভায় বক্ত রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন, কেন্দ্রীয় নেতা জনাব এম এ গোফরান, মোঃ সিরাজ মিয়া, মিসেস তানিয়া রব, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, এ্যাড. আবদুল হাই, জনাব গোলাম জিলানী চৌধুরী, এ্যাড. আবদুর রহমান, জনাব খোশ লেহাজ উদ্দিন খোকা, বাবু হীরালাল চক্রবর্তী, জনাব কামল উদ্দিন পাটোয়ারী, এ্যাড. সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, জনাব মোশারফ হোসেন, এ্যাড. সানোয়ার হোসেন তালুকদার, জনাব মতিউর রহমান মতি, ক্যাপটেন মাহাবুব, এ্যাড. কাউসার নিয়াজী, ডাঃ জবিউল হোসেন, জনাব আমিন উদ্দিন বিএসসি, আহসান উদ্দিন চৌধুরী স্ধুসঢ়;ইট, চৌধুরী শাহেদ কামাল টিটু, সৈয়দ বিপ্লব আজাদ প্রমুখ।

gb

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More