এবারের বাজেটে প্রবাসীদের জন্য দুই সুখবর

148
gb

জিবি নিউজ ডেস্ক।

এবারের প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে প্রবাসীদের জন্য দুটি সুখবর দিয়েছে সরকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে রেমিট্যান্সের ওপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ এক হাজার টাকা রেমিট্যান্স পাঠালে প্রবাসীরা উল্টো প্রণোদনা হিসেবে পাবেন ২০ টাকা। এ ছাড়া প্রবাসী কর্মীদের বিমা সুবিধার আওতায় আনা হবে।

বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, ‘রেমিট্যান্স প্রেরণে বর্ধিত ব্যয় লাঘব এবং বৈধপথে অর্থ প্রেরণে উৎসাহিত করার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত অর্থের ওপর আগামী অর্থবছর হতে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা প্রদান করা হবে। এ বাবদ চলতি অর্থ বছরে প্রণোদনা হিসেবে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করছি। এর ফলে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং হুন্ডি ব্যবসা নিরুৎসাহিত হবে।’

এ ছাড়া বাজেট বক্তৃতায় আরো বলা হয়, ‘প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিমা সুবিধা না থাকায় দুর্ঘটনা ও নানাবিধ কারনে তারা ও তাদের পরিবার প্রায়ই অর্থিক ক্ষতি ও ঝুঁকির সুম্মুখীন হয়্ প্রবাসী কর্মীদের বিমা সুবিধার আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট বক্তব্য শুরু করেছিলেন। ঠিক সোয়া ৩টায় জাতীয় সংসদে বক্তব্য শুরু করেন তিনি। তবে তিনি শুরুতেই সুস্থবোধ করছিলেন না। অসুস্থ থাকার কারণে বসেই বক্তব্য শুরু করেন। তারপরও তাঁকে অসুস্থ দেখায়। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পিকারের অনুমতি নিয়ে নিজেই বাজেট বক্তব্য প্রদান করেন।

সোয়া ৩টায় শুরু করে প্রায় ৩০ মিনিটের মতো বাজেট বক্তব্য তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু তাঁর কথা বলতে অসুবিধা হচ্ছিল। একপর্যায়ে তিনি স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে পাঁচ মিনিটের সময় চান। তবে ওই বিরতির পর ঠিক বিকেল ৪টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই দাঁড়ান। স্পিকারকে তিনি বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী অসুস্থবোধ করছেন। আপনি অনুমতি দিলে বাকি অংশটুকু আমি পড়তে চাই।’

পরে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে অনুমতি প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী বাজেট বক্তব্যের বাকি অংশটুকু পড়া শুরু করেন। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বাজেট উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। ঘাটতি ধরা হয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More