জিবি নিউজ প্রতিনিধি//
সিলেটের গোলাগঞ্জে শাবলের আঘাতে স্ত্রী হত্যাকারী স্বামীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার নাম জাহিদুল ইসলাম এমরান (৩৫)। নিহতের লাশ দাফন করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরের দিকে এমরানকে আদালাতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে রবিবার তাকে দক্ষিণ সুরমার ইন্নাত আলীপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে গোলাপগঞ্জ থানাপুলিশ।
এমরান গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের উত্তর জাঙ্গালহাটা গ্রামের ছদরুল ইসলামের ছেলে।
জানা গেছে, গত শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্ত্রী ফাহমিদা বেগম মোহনার (২৮) মাথায় আঘাত করেন এমরান। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
পরে বাড়ির লোকজন থানায় খবর দিলে গোলাপগঞ্জ থানাপুলিশ রাতে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এমরান ঘটনার পরপরই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তার। ধরা পড়তেই হয়েছে। এমরান মোহনা দম্পতির আবির নামে ৪ বছরের একটি ছেলে আছে।
মোহনা ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের দত্তরাইল গ্রামের মামুন আহমদের মেয়ে। রবিবার বিকালে সেখানে জানাজার পর পারিবারিক গোরস্তানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজায় এলাকার সর্বস্থরের মানুষের ঢল নামে।
জানাজা পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে স্থানীয়রা দ্রুত হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান এবং হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মোহনার পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, এমরানকে মানসিক রোগী বলে প্রমাণের অপচেষ্টা করে মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে একটি মহল। তারা জানান, সে সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক একজন মানুষ।
অবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি গোটা দত্তরাইলবাসীর।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন