লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব নির্বাচন টুকিটাকি-৮ নির্বাচনের সময় আনন্দ-বেদনার কাহিনী

229
gb
মো. রহমত আলী ||
নির্বাচনকালীন সময়ে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সদস্য ও প্রার্থীদের অনেক আনন্দ-বেদনার খবর রয়েছে। তবে এ সবের মধ্যেও অবিরামভাবে পরিচালিত হচ্ছে ক্যাম্পেইন কার্যক্রম। সাথে সাথে আনন্দের খবরের জন্য প্রকাশ করা হচ্ছে শুভেচ্ছ আর বেদনার জন্য প্রকাশ করা হচ্ছে সমবেদনা। মূলত এ আনন্দ-বেদনার মাধ্যমে মানুষের জীবন পরিচালিত হয়ে আসলেও বিশেষ সময়ে বা বিশেষ দিনে তা সংগঠিত হলে এটি হয়ে যায় একটি মাইলফলক।
এবারে নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন নিয়ে প্রাখমিক আলাপ-আলোচনায় মনে করা হয়েছিল যে নির্বাচন হবে কি না। আর হলেও হয়তো কয়েকটি পদে তা হতে পারে। এমনও ধারণা ছিল যে, কিছু কিছু পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ কেউ নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা দেখে মনে হচ্ছে অতীতের সব জল্পনা-কল্পনা একেবারেই অমুলক ছিল। তা ছাড়া এ রকম প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচন এর আগে আর কখনও হয়েছে কিনা সন্দেহ।
সে যাই হোক, মূলত নমিনেশন দাখিলের পর থেকেই নির্বাচন জমে উঠেছে। আর এ সময় বেশ কয়েকটি আনন্দ-বেদনার খবরও সংগঠিত হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, নির্বাচনে ট্রেজারার পদপ্রার্থী আব্দুল কাদের মুরাদ চৌধুরীর ঘটনাপ্রবাহ, যা আনন্দ-বিষাদে ভরপুর। মুরাদ ভাই প্রথমে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এ নির্বাচনে তিনি ‘ইসি মেম্বার‘ হিসাবে প্রতিযোগিতা করবেন। সে হিসাবে তিনি তার বন্ধু-বান্ধবদের অনেকের সাথে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী পর্যায়ে ‘ট্রেজারার‘ পদে নমিনেশন দিতে হয়েছে। আর এই নমিনেশন দেবার পরই তাদের ঘরে চলে আসে নতুন অতিথি। ১১ জানুয়ারী স্ত্রী জানমিন চৌধুরী জন্ম দেন এক কন্যা সন্তানের। আর এ কন্যা সন্তানের নাম রাখা হয় ‘সাফিয়া কাদির চৌধুরী’। এটি তাদের চতুর্থ সন্তান। কিন্তু এই সময়ে ‘হরিষে বিষাদের‘ মত যে ঘটনাটি ঘটে, তা হলো মুরাদ চৌধুরীর গর্ভধারিনী মায়ের মৃত্যু। গত ২২ জানুয়ারী ৮৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। এতে স্বাভাবিকভাবে অনেকটা মুষড়ে পড়েন তিনি। তবে আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে তিনি সে শোক কাঠিয়ে এখন অনেকটা স্বাভাবিক অবস্থায় তার নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। মহান আল্লাহ তাঁকে বেহেস্ত নসিব করুণ।
এদিকে আমাদের এক ভোটার হেফাজুল করিম রাকিব এ সময় কন্যা সন্তানের জনক হয়েছেন। গত ১৭ জানুয়ারী তার স্ত্রী এ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। তারা বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন বলে জানা যায়।
আমাদের আরেক ভোটার আমিনুল হক ওয়েসও এ সময় পুত্র সন্তানের জনক হয়েছেন। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে ইসমাইল হক। গত ১৫ জানুয়ারী তার জন্ম হয়।
নির্বাচনের আর মাত্র রয়েছে দুইদিন বাকী। তাই নির্বাচনের পূর্বের দিন অথবা নির্বাচনের দিন যদি আনন্দ-বেদনার কোন সংবাদ আসে তখন অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ পৃথিবী চলমান। তবে প্রত্যাশা এ সময়টি যেন সবার জন্য আনন্দঘন ও মঙ্গলময় হয়।
এদিকে এ সময়ে অনেকের জন্মদিনের বার্তা পাওয়া গেছে। আজও পরবর্তী তিনদিন হয়তো আরো আনেকের জন্মদিন আছে। সবার প্রতি রইল শুভ কামনা। ইতিমধ্যে যারা দেশভ্রমণে গিয়েছেন ও নির্বাচনের পর যারা যাবেন তাদের যাত্রা হউক শুভ ও অনাবিল আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠুক- এ কামনা করি।

 

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন