মৌলভীবাজারে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

199
gb

 মৌলভীবাজার প্রতিনিধি \

গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কালো ধারা সংশোধনের দাবিতে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে মৌলভীবাজারে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা। বুধবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে প্রেসক্লাবের সম্মুখে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। ২ ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ সালাম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ এলাহী কুটির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন,সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম উমেদ আলী, ইমজার সভাপতি শাহ অলিদুর রহমান,মাছরাঙা প্রতিনিধি ফেরদৌস আহমেদ,ইত্তেফাক প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম মুহিব,সমকাল প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম, মৌমাছি কন্ঠের সম্পাদক শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ,মানবজমিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মু ইমাদ উদ দীন, এশিয়ান টিভি প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান রাহেল ,দৈনিক খবরপত্র প্রতিনিধি স.ই সরকার জবলু, যুগান্তর প্রতিনিধি হোসাইন আহমদ,ঢাকা ট্রিবিউন প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাংলা নিউজ প্রতিনিধি মাহমুদ এইচ সরকার, দৈনিক মৌলভীবাজার বার্তা সম্পাদক ওমর ফারুক নাঈম প্রমুখ। অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আকমল হোসেন নিপু, যুমুনা টিভির প্রতিনিধি আফরোজ আহমদ, নয়াদিগন্তের আব্দুল আজিজ, মনুবার্তার সম্পাদক মো: জসিম উদ্দিন, ভোরের পাতার এ এস কাকন,বাংলা ৭১ এর মো: আব্দুল কাইয়ুম, আলোকিত সিলেটের এমদাদুল হক, বিজয় টিভির জাফর খান, জুলফিকার আলী ভুট্রো, মঞ্জু বিজয় চৌধুরী প্রমুখ। বক্তারা বলেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক ও নাগরিকদের বাক স্বাধীনতায় নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে। এটি মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর কড়াকড়ি আরোপ ছাড়া অন্য কিছু নয়। বক্তরা বলেন এই আইনের কয়েকটি কালো ধারা বাতিল ও সংশোধনে দাবিতে দেশের খ্যাত নামা সাংবাদিক ও সম্পাদকরা সম্পাদক পরিষদের ব্যানারে রাজপথে নেমেছেন। স্বাধীন রাষ্ট্রের এমন দৃশ্য দেশ জাতি ও গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যথিত করে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারের কাছে এমনটি কখন আশা করা যায় না। গণতন্ত্র রক্ষায় ও রাষ্ট্রের কল্যাণে গণমাধ্যম কর্মীরা নিবেদীত হয়ে সবসময় কাজ করলেও এধরনের আইনের মাধ্যমে তাদেরকে অনেকটা রাষ্ট্রপৃষ্ঠপোষকতায় একধরনের তিরষ্কারই করারই নামান্তর। সরকার একদিকে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েচ্ছে,অন্যদিকে এ কালো আইন তৈরি করে মানুষের স্বাধীনতা হরণ করেছে। যা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। মানবন্ধন ও পথসভা থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা অবিলম্বে বাতিল ও সংশোধন সহ সম্পাদক পরিষদের ন্যায়সঙ্গত ও যৌক্তিক দাবির সাথে একাত্ততা প্রকাশ করেন সাংবাদিকরা।