সিলেটের চা ছাড়া আমাদের কারোরই সকাল চলে না: প্রধানমন্ত্রী

309
gb

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন “সিলেট অঞ্চলের চা, যে চা ছাড়া সকালবেলা আমাদের কারোরই চলে না। এই চা’র উৎপাদন যাতে বৃদ্ধি পায় তার যেমন ব্যবস্থা করা হচ্ছে তেমনই যারা চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের ব্যবস্থা, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা, সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করছি, সিলেটের চা যাতে সিলেটেই নিলাম হয় এজন্য সিলেটে একটি চা নিলাম কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে এসব কথা বলেন। এদিন বিকাল ৩ টায় সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন বিকাল ৪ টায়।

সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মহানগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় এই সভায় তিনি সিলেট অঞ্চলে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলে যেসকল পণ্য উৎপাদিত হয় যেমন, কমলা লেবু থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের লেবুর উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, এবং যারা উৎপাদন করে তাদেরকে আমরা ক্ষুদ্র শিল্প হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি যাতে এর সুগন্ধি বিশ্বব্যাপী পৌঁছে।

উক্ত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, কেন্দ্রীয় সদস্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ইমরান আহমদ চৌধুরী এমপি, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি, সাবেক এমপি সৈয়দা জেবুন্নেসা হক, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান, হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু জাহের এমপি, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেসার আহমেদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, কৃষিলীগ সভাপতি মোতাহের হোসেন মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, যুব মহিলা লীগ সভানেত্রী নাজমা আক্তার, যুব লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক আতিক, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন, স্বাচিপের মহাসচিব ডা. মুরশেদ আহমদ চৌধুরী, শ্রমিকলীগ সভাপতি এজাজুল হক, মহানগর কৃষকলীগের সভাপতি মুমিন চৌধুরী, মহানগর শ্রমিকলীগ সভাপতি এম শাহরিয়ার কবির, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শাহানারা বেগম, জেলা মহিলা লীগের সভাপতি রুবি ফাতেমা ইসলাম, জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামিম আহমদ, যুব মহিলা লীগ নেত্রী জিন্নাত আলম, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিলেট মহানগরের সভাপতি আফতাব উদ্দিন, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম তুষার।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার, হযরত শাহপরান (রহ.) এর মাজার ও গাজী বোরহান উদ্দিনের (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন।

মাজার জিয়ারত শেষে বেলা পৌনে ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত সিলেট সার্কিট হাউসে জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্ন-বিরতির জন্য অবস্থান করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বিকাল ৩টায় জনসভাস্থলে উপস্থিত হওয়া প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেয়া শুরু করেন বিকাল ৪টা ৫ মিনিটে।