Bangla Newspaper

প্রচন্ড শীতও হারমানাতে পারেনি ঝিনাইদহের কৃষকদের!

78

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

গত বেশ কয়েকদিন ধওে দক্ষিণঞ্চলের জেলা গুলোতে হঠাৎ করেই বেড়েছে কুয়াশা ও শীতের দাপট। অতিরিক্ত ঠান্ডায় জনজীবনে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। সকালে দেরি করে খুলছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আবার সন্ধ্যা পরপরই অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ হওয়ায় চারপাশ হয়ে যাচ্ছে জনমানবহীন। কিন্তু যারা মাঠে সোনা ফলাবে তাদের স্থবিরতা নেই।হাড়কাপা শীত আর ঘন কুয়াশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভোর থেকে মাঠে নেমেছেন গ্রামবাংলার কৃষকরা। শীত সবসময় তাদের কাছেই যেন হারমানে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ভোরবেলায় প্রচন্ড শীত ও কুয়াশার মধ্যেও কৃষকেরা দলবেঁধে মাঠে বোরো ধানের চারা লাগাচ্ছে। কৃষক মিঠু মোল্লা বলেন, শীতের ভয়ে বসে থাকলে চলবে চলবে কি করে। আমরা এসময়ে বসে থাকলে আমাদের পরিবার ও দেশের মানুষদের  পেটে ভাত জুটবে কি ভাবে। অন্য এক কৃষক টিটু মিয়া বলেন, আমরা বসে থাকলে সমস্যা শুধু আমাদের হবে না গোটা দেশের সমস্যা হবে। মাঠের পর মাঠ ফসল না লাগালে মানুষ খাবে কি।বেলা সাড়ে ১২টায় বধুপুর বালিয়াডঙ্গা এলাকায় মাথায় বোরো ধানের চারা নিয়ে মাঠের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন শিমুল ও মুফাজ্জেল নামের দুই কৃষক। তারা বলেন  মনে হচ্ছে এখনই মাঘের শীত শুরু হয়ে গেছে বিকেল থেকেই কুয়াশা শুরু হয়।রাতেও  টিনের চালে টুপটাপ শব্দে বৃষ্টির মতো ঝড়ে কুয়াশা। সকাল পেরিয়ে দুপুর হয়ে গেলেও কুয়াশাচ্ছন্ন থেকে যায় চারপাশ। তবে কুয়াশা বা শীত আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন না হলে ক’দিন পরেই মাঠের পর মাঠ হয়ে যাবে সবুজ ধান ক্ষেত। আর তারপরেই সোনার ফসলে শুরু হবে হাসির ঝিলিক।

Comments
Loading...