সিরিয়া যুদ্ধে ভুল করেছেন ট্রাম্প

86
gb

মো:নাসির, জিবি নিউজ ২৪-

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে মারাত্মক ভুল করেছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। ট্রাম্প ভুল স্বীকার করার জন্য পরিচিত নন, সুতরাং তিনি সিরিয়ার বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের চেষ্টা করবেন, এমন সম্ভাবনা কম। তবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ইচ্ছেকে মেনে নিয়ে ট্রাম্প আমাদের কুর্দি মিত্রদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতাকে কলঙ্কিত করেছেন। তাঁর এই পদক্ষেপের অর্থ হলো, আমরা আগে যেসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছি, যেমন আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করা, ইসরায়েলকে রক্ষা করা—এগুলো এখন বেশ কিছু সন্দেহভাজন নেতার হাতে রয়েছে। গত বছরই ট্রাম্প সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে তাঁর প্রতিশ্রুতির বিষয়টি আবার নিশ্চিত করেন এবং তিনি ২০১৮ সালের সন্ত্রাসবাদবিরোধী জাতীয় কৌশলে লিখেছিলেন: ‘আমি আমেরিকান জনগণের কাছে এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেছি যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষায় যত রকম প্রয়াস আছে, তার কোনোটিই ছাড়া হবে না। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সব চেষ্টা চালানো হবে।’

সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াই যেকোনো প্রেসিডেন্টের মূল ফোকাস এবং ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে (এবং ভুলভাবে) আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাঁর নিজস্ব প্রশাসনের সাফল্য এনে দিয়েছেন। সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস এবং আমাদের অন্য সহযোগীদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে গঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘গ্লোবাল কোয়ালিশন টু ডিফিট আইসিস’ সিরিয়ায় সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলোকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। এটা আমাদের অনেক বড় অর্জন। গত ডিসেম্বর মাসে ট্রাম্পের সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার পরও (যে ঘোষণা তিনি সে সময় কার্যকর করেননি) যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সন্ত্রাসবাদবিরোধী মিশনের অংশ হিসেবে সিরিয়ায় মার্কিন সেনা মোতায়েন রেখেছিল। এখন আমরা সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আমাদের লোকবল উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছি এবং সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানের জন্য এবং আমাদের দুই বড় শত্রু রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বাইরে থেকে লোকবল নিয়োগ করেছি।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন