ফোনালাপ ফাঁসে বিব্রত নন সৎ দুদক চেয়ারম্যান

153

মো:নাসির, বিশেষ প্রতিনিধি জিবি নিউজ ২৪

> ডিআইজি মিজানুর রহমানকে বাঁচাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানসহ অনেকের সঙ্গে কথোপকথন নিয়ে ফোনালাপ ফাঁসে দুদক বিব্রত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘এখানে বিব্রত হওয়ার কী আছে?’ আপত্তি আছে কি না প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপত্তি কি এত ঠুনকো জিনিস।’ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীতে দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুদক কমিশনে রোববার বেশ কয়েকটি মামলার বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আপনারা তো তাড়াহুড়া করেন। এ মামলা তো একদিনে হয় না। এর জন্য বহুদিন যাচাই-বাছাই হয়েছে; ফাইল তৈরি করতে হয়েছে, সই হয়েছে। এরপর মামলার অনুমোদনের পর আজ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কোনো মামলাই স্পেশাল মামলা নয়। প্রত্যেক অপরাধ সমান। আমরা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিইনি। আমরা অপরাধের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে অনুযায়ী মামলাটা হয়েছে। এখন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলতে পারবেন কী করবেন। ডিআইজি মিজানকে তিনি গ্রেপ্তার করবেন কি করবেন না এটা সম্পূর্ণ তাঁর ব্যাপার। ইকবাল মাহমুদ বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মানুষ যখন ক্ষমতায় থাকে ,তখন অনেক লোক ছবি তুলে বা নাম ভাঙিয়ে মানুষ ঘুষ নিয়ে থাকে ।ব্যকিতগত ভাবে দুদক চেয়ারম্যান ত্রকজন সৎ মানুষ হিসাবে অতীতে ত্রবং বতমানে সাহসীভাবে কাজ করে যাচেছন ।বাংলাদেশের মানুষ তা জানে ।গত দুই বছরে দুদকের পক্ষ থেকে সবাইকে আটবারের বেশি সতর্ক করে বলা হয়েছে, দুদকের চেয়ারম্যান, কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে বা তাদের আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে কোনো লেনদেন করা যাবে না। যদি আপনি লেনদেন করে থাকেন তাহলে আপনি দায়ী। নতুন করে অভিযোগের বিষয়ে কোনো তদন্ত বা অনুসন্ধান করবেন কি না- এ প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিষয়ে একটি তদন্ত চলছে। সেটার সঙ্গে এটা একত্রিত করে তদন্ত করা হবে। দুদক নিজেদের কার্যালয়ে প্রথম মামলা করেছে এ বিষয়ে ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমরা দুদকের আইনে আগেও মামলা করতে পারতাম। আইনে কিছু অস্পষ্ট ছিল। এখন স্পষ্ট করেছি মামলা করার জন্য। ডিআইজি মিজান পলাতক কি না, তা বলতে পারব না। ঘুষের মামলায় ডিআইজি মিজান, এনামুল বাছির এবং সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারকে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে আগামী ১ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। দুদক নিজেদের কার্যালয়ে প্রথম মামলা করেছে এ বিষয়ে ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমরা দুদকের আইনে আগেও মামলা করতে পারতাম। আইনে কিছু অস্পষ্ট ছিল। এখন স্পষ্ট করেছি মামলা করার জন্য। ডিআইজি মিজান পলাতক কি না, তা বলতে পারব না। ঘুষের মামলায় ডিআইজি মিজান, এনামুল বাছির এবং সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারকে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে আগামী ১ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।