দক্ষিণ লেবাননে দুটি ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন নিহত এবং ১৯ জন আহত হয়েছে। গত জুনে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সমঝোতার পর এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে জানা গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে আনসার গ্রামের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালালে ৭ জন নিহত হয়। হামলায় ভবনটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা সেখানে অভিযান চালান।
এর কয়েক ঘণ্টা পর দেইর আল-জাহরানি শহরের একটি বাড়িতে আরেকটি বিমান হামলা চালানো হয়।
এতে দুজন নিহত ও ৯ জন আহত হয়। হামলার পর শহরের রাস্তাগুলো ধ্বংসস্তূপ ও ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়।
এ ছাড়া নাবাতিয়েহ শহরের কাছে একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালায়। এতে মোটরসাইকেলটির চালক নিহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
Your browser does not support the video tag.
জুনে হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ অনেকটাই থেমে গিয়েছিল। এর মধ্যেই নতুন করে এই হামলা দক্ষিণ লেবাননে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে হামলাগুলো আরো বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা করবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অনেকে নিজেদের বাড়িতে থাকা নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। হামলার লক্ষ্যবস্তু দুটি গ্রামই ইসরায়েলের ঘোষিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলের’ বাইরে।
হামলার পর নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে নাবাতিয়েহ ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা উত্তর দিকে পালিয়ে যেতে শুরু করলে সড়কগুলোতে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।
এ বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র এলা ওয়াওয়েয়া বলেন, আলি তাহের এলাকায় হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালানোর জবাবে আনসার ও নাবাতিয়েহ এলাকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
জিবি নিউজ24ডেস্ক//
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন