পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় এক নারীকে ইভটিজিং করার সময় প্রতিবাদ করলে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করা হয়েছে । ঘটনাটি ১৯ জুন শুক্রবার বিকালে উপজেলার বেতবুনিয়া পতন আবাসনে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
আহত সাঁথি আক্তার জানান, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সোলাদানা'র বেতবুনিয়া (পতন) আশ্রায়ন প্রকল্পে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আমি দাওয়াত খেতে যায়। এ সময় আবাসনে বসবাসরত শুকুর সরদারের ছেলে আলামীন সরদার আমাকে মোবাইলে কথা বলার কথা বলে তার মোবাইল নাম্বার টি কাগজে লিখে আমাকে দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আমার ভাসুর ইব্রাহীম সানা(৩৫) বিষয়টি আলামীনের নিকট জানতে চায়। আলামীন তাৎক্ষনিক পাশে থাকা কাট দিয়ে তাকে মারপিট করে আহত করে। আমি ঠেকাতে গেলে আলামীন সহ তাদের স্বজনরা আমাকেও মারপিট করে আহত করে। পরে এলাকার লোকজন আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আশ্রায়ন প্রকল্পের একাধিক নারী-পুরুষ জানান, আল-আমিন একজন নারী উত্ত্যক্তকারী ও অসৎ চরিত্রের যুবক। তার কারনে মহিলারা ভয়ে ও আতঙ্কে থাকে।
জোহরা বেগম জানান, আল-আমিনের ভয়ে নারীরা একা বের হতে পারে না।
ভিকটিম সাথী আক্তার আরো জানান, স্বামী বাহিরে কাজ-কাম করে বেড়ায়। এ সুযোগে আলামিন পথে ঘাটে আমাকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করে আসছিল । তার কারনে আমি ইতোপূর্বে স্বামী সন্তান নিয়ে বরিশালে ছিলাম।
বাড়ীতে আসলে একা থাকার সুযোগে সে আমার ঘরে ঢুকে পুরোনো ভিডিও ছাড়ার হুমকি দিয়ে শ্লীলতা হানির চেষ্টা করেন। ইভটিজিং ও মারপিটের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে সাথী আক্তার জানান। অভিযোগ প্রসঙ্গে আলআমিন জানান, আবাসনের পুকুর নিয়ে দ্বন্ধ সে কারণে প্রতিপক্ষরা আমাকে নারী দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেন, ভিকটিমের অভিযোগের বিষয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ সঠিক হলে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে থানা পুলিশের এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন