ব্রেক্সিট ইস্যুতে ব্রিটেন-ইইউর চিঠিযুদ্ধ

43
gb
4

জিবি নিউজ ডেস্ক ।।

ব্রেক্সিট ইস্যুতে তৃতীয় দফার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। খোলা চিঠির মাধ্যমে একে অপরকে দোষারোপ করছে।
ব্রেক্সিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্রিটেনের মন্ত্রী ডেভিড ফ্রস্ট এক চিঠিতে ইইউর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ এনেছেন। ইইউর প্রধান মধ্যস্থতাকারী মিশেল বার্নিয়ে পালটা চিঠিতে ব্রিটেনকে এমন মনোভাব সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ব্রিটেন ইইউর বিরুদ্ধে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে বাড়তি, ভারসাম্যহীন ও অভূতপূর্ব দাবির অভিযোগ করেছিল। ডেভিড ফ্রস্ট এই চিঠির সঙ্গে চুক্তির এক খসড়া প্রকাশ করেন।

তিনি এ প্রসঙ্গে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্য চুক্তির কিছু অংশ তুলে ধরে দাবি করেন, যে ইইউ ব্রিটেনকে একই রকম সুবিধা দিতে রাজি নয়। ব্রিটেন কেন একইরকম সুবিধা পাবার যোগ্য নয়, সেই প্রশ্ন তোলেন ফ্রস্ট। তার মতে, দুই ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগীর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য সম্পর্কের বদলে নিম্ন মানের এক বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব রেখেছে ইইউ।

বার্নিয়ে তার চিঠিতে ব্রিটেনের আচরণের কড়া সমালোচনা করেছেন। তার মতে, আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর বদলে চিঠির মাধ্যমে তর্জনগর্জন করলে আখেরে কোনো লাভ হবে না। বিশেষ করে ফ্রস্ট যে সুরে অভিযোগ পেশ করেছেন, তা পারস্পরিক আস্থা ও গঠনমূলক মনোভাবের পরিপন্থী।

বার্নিয়ে তিন পৃষ্ঠার চিঠিতে ফ্রস্টের প্রতিটি অভিযোগের আলাদা করে জবাব দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ব্রিটেনকে নিজ দায়িত্বে বিভিন্ন সম্ভাবনার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। অন্য দেশ যে সব সুবিধা পেয়েছে, ব্রিটেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেসব সুবিধার দাবি করতে পারে না। বার্নিয়ে আরও মনে করিয়ে দেন যে, ব্রিটেন ও ইইউর শীর্ষ নেতারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা হিসেবে যে রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেছিলেন, ইইউ পুরোপুরি তার ভিত্তিতেই ব্রিটেনের সঙ্গে আলোচনা করছে।

চলতি বছর দুই পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়া না হলে ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ব্রিটেন বিশেষ সুবিধা হারিয়ে বিশ্বের বাকি দেশের মতো ইইউর সঙ্গে বাণিজ্য করতে বাধ্য হবে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন