প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ন্যাপ : ‘জাতীয় ঐক্য’ প্রতিষ্ঠায় ‘সর্বদলীয়’ বৈঠক ডাকুন

54
gb
5

করোনার কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ সংকটে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া আজ সময়ের দাবী। বৈশ্বিক মহামারী করোনা সংক্রমণ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষায় এবং করোনা পরবর্তী সামাজিক-অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে ভবিষ্যতমুখী পরিকল্পনা গ্রহন ও নির্দেশনা প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বদলীয় বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

 

শনিবার (৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার এ আহ্বান জানান।

 

তারা বলেন, করোনার কারণে জাতি হিসেবে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি। এর তীব্রতা এবং বিস্তৃৃতি আমাদের জাতিকে এখন এক মৌলিক আর দীর্ঘ দিনের অমীমাংসিত প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। আমরা কি এই বিপত্তি মোকাবিলার জন্য আবার জাতি হিসেবে ১৯৭১’র মত ঐক্যবদ্ধ হতে পারবো ? সরকার আর সরকারের বাইরে এখন সকলের এককাতারের অবস্থান তৈরি হয়েছে।

 

নেতৃদ্বয় বলেন, করোনা সংক্রমণ এখনও সীমিত রাখা সম্ভব হলেও এ নিয়ে আত্মতুষ্টির কোন অবকাশ নাই। ইউরোপের দেশ ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এর মাশুল দিচ্ছে। এটা আশার কথা যে, প্রধানমন্ত্রী উপজেলা পর্যায় থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রতিদিন পরীক্ষার নির্দেশ দেয়ার ফলে পরীক্ষা ও পরীক্ষার মাধ্যমেই শনাক্তকরণের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে তাগিদ দিয়ে আসছিল তা কিছুটা হলেও পূরণ হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নানা ধরনের বক্তব্যের কারনে জনগণ বিভ্রান্তিতে পড়ছিল। তাদের সতর্কতা শিথিল হচ্ছিল। এখন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসলে সরকার যেমন, মানুষও তেমনই তাদের ব্যবস্থা নিতে পারবে।

 

ন্যাপ নেতৃদ্বয় সরকার তথা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ‘সর্বদলীয় ঐক্য’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার সবার বিচরণ সীমিত করে জনগনকে ঘরে আবদ্ধ রেখেই নিজের একক প্রচেষ্টায় এই বিপদ থেকে উত্তরণের পথ খুঁজছে। এতে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী জাতীয় প্রয়াসের সাথে একাত্ম হচ্ছে না। সবাই ঘরে থাকাটাই জাতীয় কর্তব্য পালন বলে মনে করছে এবং সরকার, চিকিৎসক আর প্রশাসনের উপর বাকি দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে।

 

তারা বলেন, সর্বদলীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সরকার আর ক্ষমতাসীন দলকেই এই উদ্যোগের কান্ডারি হতে হবে। তাদেরকে সকল রাজনৈতিক দলকে একই প্লাটফরমে এসে এই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য খোলা মন নিয়ে আহ্বান করতে হবে।

 

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরো বলেন, এই মুহূর্তে দোষারোপ নয়, যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে তা পূরণ করতে সবার পরামর্শই গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারনেই আমরা সরকারকে সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে উদ্যোগ নেবার আহ্বান জানাচ্ছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই বাংলাদেশে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে মনে করি। মনে রাখতে হবে জাতির এই ক্রান্তিকালে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা জাতীয় রাজনৈতিক কর্তব্য।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন