পলাশবাড়ীতে ক্ষুদ্র কাজে আয় কম তাই র্দূভোগ পরে না চোখে কর্তাগণের

104

 

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
পৌর শহরের উপজেলা পরিষদের মুল প্রবেশদ্বার ড্রেনের ময়লা পানি সড়কের উপরে র্দূগন্ধের দূর্ভোগে সর্বস্তরের মানুষ নজর নেই উপজেলা বা পৌর সভার বড় ছোট কর্তাবাবু দের। কেন্দ্রীয় মসজিদে রাস্তা, পলাশবাড়ী পিয়ারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের, উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসের মূলগেট, বঙ্গবন্ধু মার্কেট ও পিয়ারী মার্কেটের সামনে সড়ক যেটি চলে গেছে গাইবান্ধা নাকাইহাট সড়কে। এসড়কটি উপজেলার সকলের যাতায়াত করলেও দেখার যেন কেউ নেই। পলাশবাড়ীতে উপজেলা সড়কে দূষিত ড্রেনের পানি প্রতিকার চায় ভোক্তভোগী সাধারণ জনগণ ও অত্র এলাকার ব্যবসায়িগণ,সুশিল সমাজ,মসজিদের মুসল্লিগণ।

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের প্রবেশ দ্বারে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা অকার্যকর হয়ে দূষিত পানিতে সরবর । এই গুরুত্ব পূর্ণ রাস্তাটি দিয়ে পলাশবাড়ীর গুরুত্ব পূর্ণ ব্যাক্তিদের চলাচলে উপজেলা কার্যক্রম স্বচল হলে বিষয়টি নিয়ে কেহ সমাধানে কাজ করছেন না । পৌরবাসীর দূর্ভোগ রোধে প্রয়োজনীয় উন্নয়নের প্রাপ্ত বরাদ্দ অপরিকল্পিত উচ্চবিলাসী নামমাত্র উন্নয়নের উপজেলা পরিষদের অভ্যান্তরে পৌর সভার প্রথম বরাদ্দের অর্থদিয়ে উপজেলা পরিষদের ভিতরে সাজানো কাজ চলমান রেখেছেন যেখানে অনিয়মে স্তুপ সাজিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এ যেনো লুটপাটের হাট বাজারে আমরা ক্রেতা বিক্রেতা আমারটাই বেশী ভালো।

পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা সড়ক উন্নয়নকল্পে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা ছিন্ন হওয়ায় উপজেলা রোডস্থ ড্রেনটি মূল ড্রেনের সঙ্গে বিছিন্ন হয়ে পরে। এমতাবস্থায় উপজেলা রোডস্থ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অফিসে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি ইদানিং ড্রেনটিতে পানি এসে রাস্তায় উপচে পড়ছে। এই ড্রেনটি আনুমানিক ৫০ মিটার দৈর্ঘ হবে। গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানটিতে পিয়ারী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশ পথ,উপজেলা আওয়ামীলীগ এর দলীয় কার্যালয়,উপজেলা টাউন হল,সদর শহীদ মিনার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,ডায়াবেটিক সমিতিসহ সরকারী সমস্ত অফিসে যাওয়ার এক মাত্র পথ। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা পুর্নাঙ্গ না থাকায় মসজিদের নোংরা দুষিত দুঃগন্ধ পানি রাস্তার উপর জমাট হয়ে জন দূভোগের সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক ভাবে।

রাস্তায় মোটামুটি ৪০ মিটার এলাকায় দীর্ঘক্ষন জলাবদ্ধতায় ডুবে আছে । ফলে এর মাঝেই সরকারি মডেল সরকারি প্রাথমিক বালিকা স্কুল সহ বিভিন্ন স্কুলের কমলমতি ছাত্র /ছাত্রী জেলা ও উপজেলা দাপ্তরিক প্রধান সহ জনসাধারণ মাথা নিচু করে এ রাস্তা পাড়াপাড় হয়।

বর্ষাকালে ব্যাপক দূর্ভোগ কাটিয়ে এখন বর্ষা না থেকেও থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই শুষ্ক মৌসুমে এসেও এ দূষিত ও দুর্গন্ধ যুক্ত পানি এ ড্রেনটিতে এসে রাস্তায় উপচে পড়ছে যা দেখেও না দেখার ভান করছে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা ।

অত্র পৌর শহরের দূষিত পানি প্রবাহের পথ তৈরীতে স্থায়ী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করে পূর্ণাঙ্গ ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করতে সন্মানিত নব পৌর প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের আশুদৃষ্টি কামনা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।