মৌলভীবাজারের অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা! প্রতিটি দুঘটনা ঘটার পর আমরা আমরা থমকে দাড়াই , মাতায় হাত দিয়ে বলি “হায়- রে -বাপরে!

প্রসঙ্গ:পিংকি সু ষ্টোরে ভয়াবহ আগুন; মুহুর্তেই একই পরিবারের ৩ জন এবং নিকটাত্মীয় ২জন সহ মোট ৫ জনের করুন মৃত্যু যেন শহর জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে

213
gb
নজরুল সলাম || জিবি নিউজ২৪ ||
গ্যাস লাইনে লিক ,বয়সের ভারে নাজেহাল পুরানো ইলেক্ট্রিক মিটার, ফায়ার exit ছাড়া অপরিকল্পিত আবাসন, আমাদের উদাসীনতা ও আগুনের সূত্রপাত। পাঠক, গ্যাস শহুরে জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। রান্না থেকে শুরু করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল উন্নতির কথা গ্যাস ছাড়া চিন্তা করা যায় না। গ্যাস সরবরাহের জন্য সবচেয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পাইপ লাইন। পাইপ লাইনে লিক হলে বড় ধরনের দূঘর্টনাসহ সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটতে পারে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, প্রতিটি দুঘটনা ঘটার পর আমরা মাতায় হাত দিয়ে বলি হায়- রে -বাপ রে! তাই জান মাল ও ভয়াবহ ক্ষতির হাত থেকে বাচঁতে গ্যাস পাইপ লিক ও এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জেনে নেওয়াটা সকলের জন্য জরুরি।
গ্যাস পাইপ লিক হলে বোঝার একমাত্র উপায় হলো গ্যাসের গন্ধ। গ্যাস পাইপের যে জাগায় লিক হলো তার আশেপাশে গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে যাবে। গন্ধ পেলে বুঝতে হবে গ্যাস পাইপ লিক হয়েছে। গ্যাস পাইপ লিক হলে প্রথমে যে জায়গাটায় লিক হয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে হবে। খুঁজে পাওয়ার পরে সেখানে স্কচটেপ লাগিয়ে স্থানীয় গ্যাস সেবা প্রদানকারী সংস্থাকে খবর দিতে হবে। পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে গ্যাস পাইপ লিক হওয়া স্থানের আশে পাশে যাতে কেউ আগুন না জ্বালে বা দাহ্য জাতীয় পদার্থ আশেপাশে না রাখে -বিশেষ করে শুকনো কাঠ, পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ ইত্যাদি। দাহ্য জাতীয় পদার্থ আশেপাশে থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে হবে। গ্যাসলাইনে কোনো ক্রটি বা জরুরি অবস্থার জন্য গ্যাস কোম্পানীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে। প্রতিটি বাড়িতে, প্রতিটি মোবাইলে গ্যাস কোম্পানীর যোগাযোগ নাম্বার সংরক্ষন করে রাখা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নাগরিক দায়িত্ব।
পাঠক, বেশ কিছুদিন ধরে যে বিষয়টি নিয়ে ভাবছিলাম সেটি আগুন। ভাবছিলাম একটু লিখবো! কিন্তু কি লিখব? মৌলভীবাজারের অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা আমাকে আহত করেছে। শহরের প্রাণকেন্দ্র এম সাইফুর রহমান রোডস্থ পিংকি সু ষ্টোরে ভয়াবহ আগুন; মুহুর্তেই একই পরিবারের ৩ জন এবং নিকটাত্মীয় ২জন সহ মোট ৫ জনের করুন মৃত্যু যেন শহর জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে! মর্মান্তিক এ দূর্ঘটনায় নিহত সকালের আত্মার মাগফিরাত ও আহত সবার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
আগুন ও এর ভয়াবহতা নিয়ে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরে আলোচনার চেষ্টা করছি যা হয়ত সামান্যতম সামাজিক সচেতনতা তেরিতে সহায়ক হবে।
পাঠক, বিষয়টির সাথে গত ১৬ বছর ধরে আমি professionally পরিচিত, অর্থাৎ ঐ বিষয়টি ‘পার্ট অফ মাই জব ইন লন্ডন। প্রতি দিনই কর্তব্যরত আমাকে লন্ডন ফায়ার বিগ্রেড LFB এর অফিসারদের সাথে কাজ করতে হয় যখন কোন দুঘটনার আলামত আমার কর্ম পরিমন্ডলে সৃস্ট হয়। আমাকে তৈরি থাকতে হয় তা মোকাবেলা করার জন্য। লন্ডনে অামি যে হাসপাতালে কাজ করি সেখানে প্রতি সপ্তাহে সৃস্ট হয় দুই একটা ফায়ার ইনসিডেন্ট। আমাদেরকে সমান-ই act করতে হয় until its confirm by লন্ডন ফায়ার বিগ্রেড it’s ‘true অর false ফায়ার এলার্ট।
ফায়ার এলার্ম কি? উদাহরণ স্বরূপ বলি -আমার হাসপাতাল বিল্ডিং এ কোনো এক জায়গায় ফায়ার এলার্ম শুরু হয়েছে তা Instantly চলে যায় মেইন ফায়ার প্যানেলে আর সেখান থেকে bleeping সিস্টেমের মাধ্যমে As a ইনসিডেন্ট অফিসার হিসেবে চলে আসে আমাদের কাছে! the location of the fire incident এরিয়া। এরপর মেইন রিসেপশন ইনফর্ম করে লন্ডন ফায়ার বিগ্রেডকে। সাথে সাথেই আমাকে মেন্যুয়াল অ্যাকশন শুরু করতে হয়। ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে লন্ডন ফায়ার বিগ্রেড চলে আসে। ফায়ার বিগ্রেড চলে আসার পূর্বেই আমাদেরকে identify করতে হয় location অফ the ফায়ার। Ensure করতে হয় রোগী ছাড়া সকল staff building থেকে বের হয়ে একটি নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিয়েছে এবং তদেরকে বাইরে অবস্থান করতে হবে until its conform by fair officer, কোন ভিজিটর এই সময়ে বিল্ডিং এ প্রবেশ করতে পারবে না until লন্ডন fire বিগ্রেড অফিসার্স confirm us the বিল্ডিং ইজ safe ফর staff visitor coming ইন। প্রতি বছরই আমাকে ট্রেনিং করতে হয় ফর রিফ্রেশমেন্ট of any latest update of fire ইনসিডেন্ট!
পাঠক, আমি আপনাদের একটু ব্রীফ idea দিলাম লন্ডনে ফায়ার ইনসিডেন্ট হলে সাধারণত কি হয়, কি করতে হয়। লন্ডন ফায়ার বিগ্রেড অফিসার্স তা পরিচালনা করে its completely depend on fire officer how they operate their operation to save life and প্রপার্টি।
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন, লন্ডনের সাথে বাংলাদেশকে তুলনা করা ঠিক হবে না, কিন্তু অ্যাকশন একি হওয়াটাই বাঞ্ছণীয়! Unfortunately যা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক বাংলাদেশে। যাক একটু ফায়ার সতর্কতা নিয়ে সংক্ষিপ্ত একটু আলোচনা করতে চাই, প্রথমে জেনে নেই-
আগুন কি? স্কুলে আমি সায়েন্সের ছাত্র ছিলাম , পড়েছি আগুন কি? আগুন হলো- সাধারণত বাতাসের অক্সিজেনের সাথে জ্বালানির কার্বন ও হাইড্রোজেনের মিলনে সৃষ্ট এক বিশেষ রাসায়নিক বিক্রিয়া। আলোর মাধ্যমে এ রাসায়নিক বিক্রিয়া শক্তিতে প্রকাশ পায়।
যতক্ষণ পর্যন্ত আগুন আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে ততক্ষণ তা আমাদের বন্ধু। আবার একটু অবহেলার কারণে তা আবার শত্রু হতে বিন্দুমাত্র দেরি করে না। সতর্কতার অভাবে মুহূর্তেই অগ্নিকাণ্ড ভস্মিভূত করতে পারে আপনার প্রিয় সাজানো সংসার, বসতবাড়ি, অফিস কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠাকে। তাই আপনাকে অবশ্যই তিনটি প্রধান বিষয় মাথায় রাখতে হবে-
প্রথমত :অগ্নিকান্ডের কারণ
দ্বিতীয়ত :এ থেকে সতর্ক থাকার নিয়ম কানুন আর
তৃতীয়ত :অগ্নিকাণ্ডের পর করণীয়।
নজরুল ইসলাম || ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট
ওয়ার্কিং ফর ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস, লন্ডন
মেম্বার, দি ন্যাশনাল অটিষ্টিক সোসাইটি ইউনাটেড কিংডম, আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঢাকা বাংলাদেশ।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন