রাজধানী থেকে ক্যাসিনো সাঈদের দুই সহযোগী গ্রেফতার

74
gb

জিবিনিউজ 24 ডেস্ক//

‘ক্যাসিনো সাঈদ’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বরখাস্ত কাউন্সিলর এ কে এম মোমিনুল হক সাঈদের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩। তারা হলেন- মো. মোবারক হোসেন ও মো. মিজানুর রহমান রানা। শনিবার বিকালে রাজধানীর মতিঝিল এলাকার দিলকুশার ইউনুস সেন্টারের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্ত কাউন্সিলর এ কে এম মোমিনুল হক সাঈদের ডানহাত ওয়ার্ড যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান উদ্দিন জামালের ক্যাডার যুবদল নেতা মোবারক ও মিজানুরকে ব্যবসায়ী মো. মিজান মিয়ার কাছ থেকে চাঁদার টাকা আদায়ের সময় আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ‘চাঁদাবাজির’ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

কাউন্সিলর রাজীবকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থার সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীসহ একটি দল রাজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সংস্থার একটি দল কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রাজীবকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে বিকালে তাকে রমনা থানায় পাঠানো হয়। আজ আবার দুদকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে। গত ৬ নভেম্বর রাজীবের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। রাজীবের মোট ২৬ কোটি ১৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে তথ্য পেয়ে মামলা করে সংস্থাটি। গত ২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে রাজীবের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে দুদক। শুনানি শেষে আদালত রাজীবের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাজীবের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, তার কয়েক শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, রাজীব তার চাচা ইয়াসিন হাওলাদারের নামে প্রায় ১২ কোটি টাকার সম্পদ কিনেছেন। তার ওই চাচা পেশায় রাজমিস্ত্রি। এ ছাড়া রাজীবের বিলাসবহুল আটটি গাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। যেগুলোর দাম অন্তত ১২ কোটি টাকা।

খালিদের পরিবারের তিন সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ : ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার, খালেদের ভাই মাসুদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও মাসুদের স্ত্রী মনসুরা ইয়াসমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাদের। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে না আসায় তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। গত ২ ডিসেম্বর তাদের তলবি নোটিস পাঠিয়েছিল দুদক। উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ওই নোটিস পাঠান। গত ২১ অক্টোবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খালেদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় তার বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। গত ১৮ সেপ্টেম্বর খালেদকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তার কাছে একটি অবৈধ অস্ত্র পাওয়া যায়। এ ছাড়া খালেদের কাছ থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সের আরও দুটি অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন