সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে ডোপ টেস্টের সুপারিশ

31
gb

জিবি নিউজ ২৪ ডেস্ক//

শিক্ষিত ও সুস্থ জাতি উপহার দিতে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ও ফাইনাল পরীক্ষার আগে ডোপ টেস্ট চালুর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি।

রোববার (১ ডিসেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে বৈঠকে সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, আফছারুল আমীন, হাবিবর রহমান, সামছুল আলম দুদু, পীর ফজলুর রহমান এবং সুলতান মোহাম্মদ মনসুর অংশ নেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী ভর্তি এবং ফাইনাল পরীক্ষার আগে কমিটি ডোপ টেস্ট সিস্টেম চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করে। কমিটির আমন্ত্রণে বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাতে কোনোভাবেই অপরাধ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হতে না পারেন, সে বিষয়গুলো মনিটর করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে তৎপর থাকতে সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে যারা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে, বৈঠকে তাদের কার্যক্রমও মনিটরের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ-ভারত এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির অভিযান কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে শূন্য লাইন থেকে এক কিলোমিটারের বাইরে বিদ্যমান ১২৬টি বিওপি সীমান্তের কাছাকাছি স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এতে জানানো হয়, ওই বিওপিগুলো স্থানান্তরের ফলে ঠাকুরগাঁও, সুনামগঞ্জ, কুমিল্লা ও ফেনী জেলার সীমান্ত এলাকায় চারটি পরিত্যক্ত বিওপিকে স্থায়ী কমিটির সুপারিশের আলোকে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা নিকেতনে রূপান্তরে’র কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের বেকারত্ব দূর, চোরাচালান রোধসহ বিজিবির উদ্যোগে ‘আলোকিত সীমান্ত’ প্রকল্প চালু করে ৫০ নাগরিককে স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন।

বৈঠকে পুলিশ বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করতে প্রশিক্ষণ দিয়ে সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি অত্যাধুনিক সাইবার যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে এ ইউনিটকে আরও কার্যকর করার জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে কারা অধিদপ্তর, পুলিশ হাসপাতাল, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ এবং তাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন এবং কারাগারে মেডিকেল ইউনিট খোলার সুপারিশ করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসকে আরও কার্যকর করতে একটি অত্যাধুনিক ফায়ার সার্ভিস ট্রেনিং একাডেমি নির্মাণের সুপারিশ করা হয় বৈঠকে ।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More