আসছে ঢাকার বিশেষঞ্জ দল,জরুরীভাবে ব্যবস্থা হয়েছে ১১শ’ ব্যাগ  কলেরা স্যালাইনের চাঁপাইনবাবগঞ্জে  ডায়ারিয়া পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি

জাকির হোসেন পিংকু,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে হটাৎ করে প্রাদূর্ভাব ঘটা ডায়ারিয়া রোগ পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে।  শনিবার(২৬’অক্টোবর) বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিগত ১৫ ঘন্টায় ৭৬ জন রোগি সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে শুক্রবার ২৪ ঘন্টায় ১৫৬ ও বৃহস্পতিবার ২৪ ঘন্টায় ১১০জন রোগি হাসপাতালে ভর্তি হন। অথচ এর আগে বুধবার এ সংখ্যা ছিল মাত্র ২৩ জন বলে জানিয়েছেন জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার রফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, টানা বৃষ্টির মধ্যেই হাসপাতালে রোগি আসা অব্যহত রয়েছে। অবশ্য ভর্তিকৃত রোগিরা বাড়ি যাবার মত সুস্থ হলে তাদের ছেড়ে দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে হাসপাতালে ভর্তি রোগি ছাড়াও কিছু রোগি বাড়িতে,শহরের বেসরকারী হাসপাতালে ও কয়েকজন রাজশাহীতে চিকিৎসা নিয়েছেন ও নিচ্ছেন।
এদিকে হাসপাতাল ও বাইরে বাজারে কলেরা স্যালাইনের সংকটের মধ্যে জেলা প্রশাসক এজেডএম নূরুল হকের জরুরী হস্তক্ষেপে জেলা প্রশাসনের নিজস্ব তহবিল থেকে শুক্রবার জরুরীভাবে ৭শ’ ব্যাগ কলেরা স্যালাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শনিবার থেকে তা রোগিদের দেয়া শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী। তিনি বলেন, এছাড়া আরও ৪শ’ ব্যাগ স্যালাইনের  ব্যবস্থা করা হয়েছে। রোববার(২৭’অক্টোবর) সেগুলি এসে পৌঁছুবে। অতিরিক্ত আরও স্যালাইনের জন্য ঢাকায় খবর দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ঠিক কি কারনে হটাৎ ডায়রিয়ার এই প্রকোপ তা নির্ণয়ে ঢাকা থেকে একটি বিশেষঞ্জ দল আসবে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। রোববার ওই দলের সফরসূচী চূড়ান্ত হতে পারে। এদিকে আক্রান্ত এলাকাগুলোর পানি পরিক্ষার রিপোর্ট শনিবার বিকেল পর্যন্ত আসেনি। সিভিল সার্জন জানান,রোগটির কারণ নির্ণয়ে অবিলম্বে অন্তত: আরও দুই স্থানে তাদের উদ্যোগে ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে পানি পরিক্ষা করা হবে।
এদিকে হাসপাতালের মূল ভবনের মেঝেতেও রোগির স্থান সংকুলান না হওয়ায় শুক্রবার থেকে তাদের হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় যেখানে ডেঙ্গু কর্ণার ছিল সেখানে রাখা হচ্ছে।
এদিকে পৌরসভার সরবরাহ পানি  থেকে এ রোগ ছড়িয়েছে বলে রোগিদের দাবি ও চিকিৎসকদের সন্দেহের পরও পৌর কর্তৃপক্ষ তা স্বীকার করেনি। তবে তারা গত ৩দিন ধরেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।
আক্রান্ত রোগিদের বেশিরভাগই শহরের উপরাজারামপুর,হরিপুর,দারিয়াপুর,নামোনিমগাছি ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা  (পৌর ৪,৫,৬,৭ও ৮নং ওয়ার্ড)। ##

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন