এডমন্টনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কন্সুলার সার্ভিস নিয়ে কারসাজি ও অসন্তোষ

291
gb

এডমন্টন, আলবার্টা, কানাডা(জুলাই ৯, ২০১৯): কানাডার অর্থনীতির পাদপীঠ বলে খ্যাত আলবার্টার রাজধানী এডমন্টনে প্রায় এক দশক পর অনেকটা আকর্স্মিক ভাবেই (জুন ২৮ ও ২৯) বাংলাদেশ দূতাবাসের ভ্রাম্যমান কন্সুলার সার্ভিস নিয়ে ছুটে এসেছিলেন মোঃ শাখাওয়াৎ  হোসেন (কন্সুলার) এর নেতৃত্বে ক’জন কর্মকর্তা, কর্মচারী।

এডমন্টনের স্বেচ্চাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ কানাডা এসোসিয়েশন অব এডমন্টন (বিসিএই) এর নির্বাচন ও সদস্যপদ নিয়ে উচ্চ-আদালত, তথা কোর্ট অব কুইন বেঞ্চ অব আলবার্টায় মামলা# ১৮০৩-২০৫৮৪ বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এর কথিত সভাপতির ক্ষমতার বৈধতা প্রমান, বৈষম্যমূলক সদস্য অন্তর্ভূক্তি ও কিছু সদস্যপদ বাতিলের ঘটনা ধামাচাপা দেয়া সহ নানাহ অব্যবস্থাপনা ঢাকা দিতেই সংগঠনের নিজখরচে কন্সুলার সার্ভিস নিয়ে আসা। কথিত সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তার ক’টি বার্তায় এ তথ্যগুলো তিনি নিজেই প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

এ কর্মকর্তার ভাষ্যমতে কন্সুলার সার্ভিস সংগঠনের নিজের অধীন বলে ধারনা করার যথেষ্ঠ কারন রয়েছে। এ সার্ভিস প্রাপ্তি, নিয়ন্ত্রন ও নির্ধারণ করেছেন সংগঠনের ক’জন কর্মকর্তা ।

স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সংগঠনের অ-সদস্য অধিবাসী ও বিশ্ববিদ্যায়ের ছাত্রদের পর্যন্ত সেবা তালিকা থেকে স্বেচ্চাচারীভাবে বাদ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংগঠনের সাবেক সভাপতি সহ কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের নিজনিজ আপত্তি জানিয়েও কোন পাত্তা পাননি। কারন সংগঠনে প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির বিরুদ্ধে কার্য্যতঃ এখন শুদ্ধি অভিযান চলছে। এ প্রগতিশীল গোষ্ঠীকে কোনঠাসা করতেই সভাপতির দাবি মতে অর্থ ব্যয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের টেনে আনা।

অতীতে বাংলাদেশ দূতাবাসে কন্সুলার সার্ভিস নিয়ে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছিলো। সৎ ও পেশাদার কুটনৈতিকরা ছিলেন কার্য্যস্থলে অনেকটাই অসহায় ও বিব্রত। বাংলাদেশ দূতাবাস গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে এধরনের কন্সুলার সার্ভিস প্রদান করে থাকে এবং সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত কোন স্থান থেকে এ সেবা দেয়া হয়। জানামতে, এবারই একটি ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সে সেবা দেয়া হয়েছে ।

সংগঠনের কথিত  সভাপতির বক্তব্যের যথার্থতা ও অনিয়মের বিষয়গুলো নিয়ে ফার্ষ্ট সেক্রটারী (কন্সুলার সার্ভিস)কে ক’বার ফোন করেও কোন জবাব পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ দূতাবাসের কন্সুলার সার্ভিস নিয়ে মুখিয়ে থাকা এডমন্টনের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী জনগোষ্ঠী এধরনের সেবাকে কারসাজিমূলক ব্যবহারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন এবং এ বিষয়ে দূতাবাসের যথাযথ তদন্ত, ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

অনতিবিলম্বে সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্তভাবে কন্সুলার সার্ভিস নিয়ে এডমন্টনে  আসার একটি তারিখ নির্ধারনের  জন্য কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More