ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যাকারী সুমার শশুড়বাড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভাগীয় মানবাধিকার ইউনিট

125

স্টাফ রিপোর্টার।।জিবি নিউজ।।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের দক্ষিন বেকামুড়া গ্রামের সুমা বেগম(২২)
গত ১৭ জুন বসতঘরের তীরের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

ঘটনায় মূল সত্যতা যাচাই বাচাইয়ের জন্য ২৩ জুন রবিবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় দক্ষিন বেকামুড়া সুমার শুশুড়বাড়ি পরিদর্শন করে জাতীয় মানবাধিকার ইউনিট সিলেট বিভাগীয় আঞ্চলিক শাখা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার ইউনিট সিলেট বিভাগীয় আঞ্চলিক শাখার সভাপতি সৈয়দ এন আলী এহিয়া, সহ সভাপতি আনোয়ার আহমদ, সাধারন সম্পাদক মামুনুর রশিদ, সহ সম্পাদক সাজন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক  জিতেশ সূত্র ধর, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ আরশ আলী, মহিলা সম্পাদিকা রোকশানা বেগম, নির্বাহী সদস্য জুয়েল আহমদ,দেলোয়ার, শেরপুর প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও জিবি নিউজ ২৪ ডট কমের প্রতিনিধি মোফাদ আহমদ প্রমুখ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আত্মহত্যা কারী সুমা বেগমের শশুড় কাদির মিয়া বলেন প্রতিদিনের ন্যায় আমি এবং আমার ছেলে(সুমার স্বামী) মাঠে কাজ করতে যাই ঘটনার দিন সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটের সময় বাড়ি থেকে ফোন আসে আমার ছেলের বউ আত্মহত্যা করেছে।

এদিকে ঘটনার দিন থেকে কাদির মিয়ার বড় ছেলে ও ছেলের বউ পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

আরেকটি বিষয় জাতীয় মানবাধিকার ইউনিট এর সাধারন সম্পাদক মামুনুর রশীদ বলেন-  সুমার শুশুড়বাড়ির যে কক্ষে সুমাকে ফাসি লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায় সে ঘরের যে তীরের সাথে দড়ি বেধে ফাঁস লাগানো অবস্থায়  পাওয়া গিয়েছে সে তীরের উচ্চতা প্রায় ১০ ফুটের উপরে,এই মেয়েটি কিভাবে এতো উচু জায়গায় ফাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে,এমনকি পুলিশ আসার পূর্বেই ঘরের দরজা খোলা পাওয়া যায়,এমনকি ঘটনার দিন সুমার শাশুড়ি বাড়িতে ছিলেন,কিভাবে উনি বাড়িতে থাকা অবস্থায় উনার ছেলের বউ আত্মহত্যা করে?
সুমার শাশুরি জুনু বেগম বলেন-আমি কাওছার (১০)নামক একটি ছেলেকে দিয়ে রুমের দরজা খুলি,দরজা খুলে দেখার পর আমি আমার স্বামী ও ছেলেকে খবর দেই।

অপরদিকে সুমার বাবা  তাজপুর মোস্তফাপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম বাবুল মিয়া বলেন-আমি আমার মেয়ের সুষ্ট বিচার চাই,আমার মেয়েকে ওর শশুড় বাড়ির লোক ও স্বামী মিলে হত্যা করেছে,ঘটনার আগের দিন (১৬জুন) আমার মেয়েকে শুশুড়বাড়ির লোকজন খুব মারধর করে,শশুড় বাড়ির লোক আমার কাছে ইফতারি(জৈষ্ট্য মাসের আম কাঠল) না দিয়ে নগদ টাকা ছেয়েছিল আমি টাকা না দিয়ে ইফতারি দেওয়ার জন্য বলি যার কারনে আমার মেয়ের জামাই সহ পরিবারের লোকজন মিলে সেদিন আমার মেয়েকে মারধর করে আমার মেয়ে মারধর খেয়ে আমাকে ফোন দিলে আমি বলি মা আমি আগামিকাল (ঘটনার দিন) আসতেছি আর সেদিন সাড়ে ১২ টার দিকে আমার কাছে আমার মেয়ের আত্মহত্যার খবর আসে,তিনি প্রশাসন,স্থানীয় এমপি ও উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের কাছে উনার মেয়ের বিচার দাবী করেন।

আরো জানা যায়,গত জানুয়ারির ৫ তারিখে  সুমা বেগমের বিয়ে হয় তার মানে বিয়ের ছয় মাসের মাথায় মেয়েটি আত্মহত্যা করে।

মন্তব্য
Loading...