প্রধান শিক্ষক হেকিম উদ্দিন এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে নৈশপ্রহরী নিয়োগে সহায়তা করছেন দাবী এলাকাবাসীর

61
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের পালেরচক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে নৈশপ্রহরী নিয়োগে সহায়তাকারী সেই প্রধান শিক্ষক হেকিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত শুরু করেছে বিশ্বনাথ উপজেলা প্রশাসন সোমবার বিশ্বনাথ উপজেলা প্রশাসনের তদন্তকারী অফিসার ‌মো: জম‌েশেদুর রহমান সহকার‌ি উপজেলা শিক্ষা অ‌ফিসার পালের চক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এলাকাবাসীর সাথে বৈঠকে বসেন। এসময় এলাকাবাসী তাদের বক্তব্যে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ও একলক্ষ টাকার বিনিময়ে নৈশপ্রহরী নিয়োগে সহায়তা করছেন বলে বক্তব্যে রাখেন।এছাড়া ম্যানেজিং কমিটির সদস্য স্হানীয় ওয়ার্ড মেম্বার জামাল উদ্দিন ও পিটিআই কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন লিখিত সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক হেকিম উদ্দিন এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে নৈশপ্রহরী নিয়োগ দানে সহায়তা করছেন।এলাকাবাসী ও স্কুলের প্রাক্তন ছাত্ররা এই নিয়োগ বাতিল করে স্থানীয় আবেদনকারীদের থেকে নৈশ প্রহরী নিয়োগের দাবি জানিয়ে প্রধান শিক্ষক হেকিম উদ্দিন বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য এর আগে গত ১২ই মে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা উপবিভাগীয় পরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন পালেরচক এলাকাবাসী। এতে বলা হয়, ‘স্থানীয় আবেদনকারীদের বাদ দিয়ে স্কুল কেচম্যাপ এড়িয়ে অন্য এলাকার সুনুল হক নামের একজনকে নিয়োগ দেয়া হয়। বিদ্যালয়ের সীমানার বাইরের এলাকার একজনকে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক নৈশপ্রহরী নিয়োগ দানে সহায়তা করেছেন।’ ‘যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সেই সুনুল হক প্রধান শিক্ষকের হেকিম উদ্দিনের এলাকার বাসিন্দা।’ এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পালের চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন এই প্রধান শিক্ষক হেকিম উদ্দিন। প্রতি অর্থ বছরের স্লিপ ও প্রাক-প্রাথমিকের টাকা বিদ্যালয়ের অনুদান হিসাবে জমা হয়। কিন্তু এর অধিকাংশ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে

 

মন্তব্য
Loading...