টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদক পাকিস্তানি পরিবারের: মোদি

72
gb

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ঢামাডোলের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ছাপা হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি।

তার পাশে হেডলাইন হয়- ‘ইন্ডিয়াজ ডিভাইডার ইন চিফ’ অর্থাৎ ভারত বিভাজনের মূল হোতা।

টাইম ম্যাগাজিনের এই প্রতিবেদন নিয়ে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদি বলেন, টাইম ম্যাগাজিন একটি বিদেশি পত্রিকা। আর যিনি ওই প্রতিবেদন লিখেছেন তিনি পাকিস্তানি পরিবারের। এখানেই তো স্পষ্ট, তার বক্তব্য কতটা গ্রহণযোগ্য।

এর আগে বুধবার নিউজ১৮ কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে টাইম ম্যাগাজিনের ওই প্রতিবেদন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোদি বলেন, আমাকে প্রথমেই বুঝতে হবে বিভাজনটা কেমন? উলম্ব না আনুভূমিক? অদৌ কি তার অস্তিত্ব রয়েছে? যদি ভারতে বিভাজনের অস্তিত্ব থাকত তাহলে আজ ভারতে মেরুকরণ হয়ে যেত।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৭০ বছরে ভোট ব্যাংকের রাজনীতিতে যারা জড়িত তারা মুসলিমদের হুমকি দেয় আর সেই দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপায়।

এসবই আমার ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার জন্য কুরুচিপূর্ন চেষ্টা। আমার ২০ বছর ধরে কষ্ট করে গড়ে তোলা ইমেজ নষ্ট করতে গিয়ে এখন এদের নিজেদেরই ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আমার এদের ওপর দয়া হয়, বলেন তিনি।

সাংবাদিক আতীশ তসিরের ওই প্রতিবেদনটির হেডলাইন ছিল, ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র কি আর পাঁচ বছরের জন্য মোদির সরকারকে সহ্য করতে পারবে?’

অথচ এখন থেকে মাত্র চার বছর আগেও একবার তাকে নিয়ে প্রচ্ছদ করা হয়েছিল। সেখানে তাকে তুলে ধরা হয়েছিল ভারতের ‘নতুন যুগের সংস্কারক হিসেবে’।

টাইমের প্রতিবেদনে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর ধর্মনিরপেক্ষ নীতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। তার সেই নীতির সঙ্গে মোদির বর্তমান চিন্তাভাবনার তুলনা করেছেন লেখক।

এমনও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বহুত্ববাদের ভারতে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলার কোনো চেষ্টাই করেননি।

এমনকি এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে গুজরাটের ঐতিহাসিক দাঙ্গার কথাও। সেই দাঙ্গায় অসংখ্য প্রাণহানির কথা।

পুরো প্রতিবেদনেই হিন্দু-মুসলিমের সম্পর্ক নিয়ে মোদিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। তার হিন্দুত্বের মনোভাব আর অ-হিন্দুত্বে বিদ্বেষ ছড়ানো নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More