পলাশবাড়ীতে বিষক্রিয়ায় গৃহবধুর মৃত হত্যা না আত্মহত্যা

53
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধি //

গাইবান্ধাা পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের জালাগাড়ী দুর্গাপুর গ্রামের মধু মিয়ার মেয়ে মৌসুমী (২০) বিষক্রিয়ার মৃতুবরণ করেছে। গত ২২ এপ্রিল সোমবার রাতে রোজিনা অসুস্থ হলে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এখানে প্রথম বিষক্রিয়া পরিলক্ষিত হলে ডুস করা হয় এবং দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করে দেওয়া হয়। রংপুর মেডিকেলে ঐ রাত্রে ১:১৫ মিনিটে মারা যায় এ গ্রহবধু। রংপুর হাসপাতাল মর্গে পোষ্ট মর্টান শেষে ২৩ এপ্রিল বিকেলে পিত্রালয়ে দাফন করা হয়। সরেজমিনে জানা যায়, গ্রহবধু বিবাহের দু বছর হলেও মাত্র কয়েকদিন শশুরালয়ে অবস্থান করেছেন। বাকি সময় বাবার বাড়ীতে থাকতে। পেপুলজোড় গ্রামের তৌয়ব আলীর ছেলে রোজিনার স্বামী রাজিব মিয়া (২২) নিয়মিত শশুর বাড়ীতে যাতায়াত করতেন। মৃত গৃহবধুর চাচা ওয়াউদুদ মিয়া (৪৫) জানান, তিনি জানতে পেরেছেন ২২ এপ্রিল বিকেলে স্থানীয় বেলতলায় বাড়ীর রাস্তার কালভার্ট এর রেলিং এর উপর তার ভাতিজি ও জামাই ঐদিন বিকেলবেলা কথা বলেছে এ সময় মেয়েকে ঔষধ হিসেবে বেভারেজ পানিও লেবেলবিহীন স্প্রিট বোতলে করে রাজিব মিয়া রোজিনাকে ঔষধ হিসেবে দেয়। রাত ৭ টা হতে রোজিনা পর্যায়ক্রমে কয়েকটি টেবলেট ও অনুমানিক ৯ টায় বোতলের অর্ধেক ঔষধ পান করে এবং আস্তে আস্তে রোজিনা অসুস্থ হয়ে পরে বলে ফুপু আনোয়ারা বেগম (৩৬)জানান এবং রোজিনাকে কোলে তুলে হাসপাতেল উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয় তখন রোজিনা একা একা বলতে থাকে রাজিব তুমি আমার সাথে এই বেইমানি করলে? এর পূর্বে রোজিনা তাকে জানিয়েছে যে পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য জামাই তাকে যে ঔষধ দিয়েছে তাহাই সে খেয়েছে। এর বাহিরে সে কথা বলার চেষ্টা করলেও সে বলতে পারছিলো না বলে জানান ফুপু আনোয়ারা। তবে তিনি প্রথমে কিটনাশকের সামান্য গন্ধ পেয়েছেন বলে জানান এ প্রতিবেদক্#৩৯;কে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ আলামত হিসাবে টেবলেটের খোসা ও প্লাস্টিক বোতল সংগ্রহ করেছে। মৃতুর পর পয়েজনিং উল্লেখ করে ডেড সার্টিফিকেট প্রদান করে র,মে,ক হাসপাতাল। স্বামী রাজিব মিয়া (২৫) বলেন, আমি কোন ঔষধ আমার স্ত্র্#ী৩৯;কে দেইনি এবং দেখাও করিনি। পরে সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন,আমি ঢাকায় কাজে চলে যাবো বলে স্ত্রীর সাথে দেখা করতে বেলতলায় গিয়েছিলাম। নইমউদ্দিনের ছেলে সাহেব মিয়া (৫০) রোজিনা ও রাজিবকে বেলতলায় গল্প করতে দেখেছে এমন প্রমানে সে স্বীকার করতে বাধ্য হয়। মৃত রোজিনার স্বামী ঘটনার দিন রাতেই রংপুর মেডিকেলে অসুস্থ স্ত্রীর কাছে চলে যান এবং মারা যাওয়ার পর ও মাটি হওয়া পর্যান্ত শশুর বাড়ীতে অবস্থান করে। রোজিনা পলাশবাড়ী মহিলা কলেজ হতে এইস,এস,সি পাশ করেছিলেন। এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে বলে মৃত রোজিনার চাচা ওয়াউদুদ মিয়া জানান।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More