তাসকিনের শিশুসুলভ আচরণ পছন্দ হয়নি সুজনের

185
gb

২০১৫ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে বাংলাদেশ জাতীয় দলের গুরুদায়িত্বে ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। ক্রিকেটের আসন্ন বৈশ্বিক আসরেও দলের ম্যানেজার হতে পারেন তিনি।

সম্প্রতি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে তাতে ঠাঁই হয়নি দেশসেরা স্পিডস্টার তাসকিন আহমেদের। স্বপ্নের দলে স্থান না পাওয়ায় আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি তিনি। লুকাতে পারেননি কান্না। বিসিবি একডেমিতে মিডিয়ার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন গতিতারকা।

মুহূর্তেই তাসকিনের কান্না সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন তিনি। বিষয়টি ভালো লাগেনি বাংলাদেশ সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদের। গেল শুক্রবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ও আবাহনী লিমিটেডের খেলা ডাগআউটে বসে দেখেন তিনি।

খেলা শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন সুজন। এসময় তাসকিনের কান্নাকাটি নিয়ে কথা বলেন তিনি। সাবেক টাইগার অলরাউন্ডার বলেন, মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে এটা এসেছে আমি মনে করি, সেটা যেকোনো ন্যাশনাল প্লেয়ারের জন্য ডিসগ্রেস। এটা শিশুসুলভ আচরণ।

তাসকিনকে মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার পরামর্শ দিয়ে সুজন বলেন, মেন্টালিটির দিক থেকে আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। আমরা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলি। স্বভাবতই অনেক কঠিন অবস্থা আসবে। হেরে কাঁদলে হবে না। জটিল পরিস্থিতি হ্যান্ডেল করতে হবে।

তাসকিনের কান্না নিয়ে তিনি আরো বলেন, বিষয়গুলো খুব কাছের মানুষের সঙ্গে শেয়ার করতে হয়। বাবা-মা, ফ্রেন্ডস-ফ্যামিলির সদস্য, যারা খুব ক্লোজ। এসব পাবলিকলি আসা ঠিক নয়। আমি সবসময় তাকে অন্য চোখে দেখি। খুব ছোট থেকে ওকে দেখে এসেছি। আমার কাছে ভালো লাগেনি। হিজ গ্রোন আপ। হিজ নো মোর আন্ডার নাইন্টিন। প্লেয়ারের খারাপ সময় যাবে, আবার ভালো হবে। সিলেক্টররা একটা মাত্র কারণেই ওকে আটকে রেখেছে। সেটা হচ্ছে ফিটনেসের ব্যাপারে।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More