পবিত্র শবে-বরাত এর ফজিলত ও তাৎপর্য

352

মহান আল্লাহ”তালা উম্মতে মোহাম্মদীকে কতগুলি বরকতময় পর্ব বা উপলক্ষ দান করিয়াছেন,যেগুলি নানা প্রকার ইবাদতের মাধ্যমে উদযাপন করিয়া অশেষ পূণ্যের অধিকারী হওয়া যায়।অন্য জাতিদের উৎসবাদিতে শুধু উৎসবের আনন্দ পাওয়া যায়,আর মুসলমানরা উৎসব পালনের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করে।

এমন একটি উৎসবের নাম শবে-বরাত বা ভাগ্য রজনী।

হযরত রাসূলে”পাক (সাঃ) এরশাদ করেন,যখন শাবানের চাঁদের ১৫ই (অর্থাৎ চৌদ্দ তারিখ দিবাগত) রাত্রি আসিবে, তখন তোমরা রাত্রি যাপন করিয়া আল্লাহর বন্দেগী করিবে,উহার পরবর্তী দিনে রোযা রাখিবে,কেননা ঐ রাত্রিতে সূর্যাস্তের পরক্ষণেই মহান আল্লাহ তায়ালা সর্বনিম্ন আসমানে নামিয়া আসেন আর বান্দাদের ডাকিয়া বলেন, ক্ষমা প্রার্থনাকারী কেহ আছো কি,যাহাকে আমি ক্ষমা করে দিব।রিযিক প্রার্থনাকারী কেহ আছো কি,যাহাকে আমি রিযিক দিব। বিপদগ্রস্ত কেহ আছো কি,যাহাকে আমি বিপদ থেকে মুক্তি দিব।অতপর হুজুর(সাঃ) এরশাদ করেন,সারটি রাত্রিই এইভাবে বান্দাদের উপর রহমত নাযিল হইতে থাকে।
এই রাত্রিতে আল্লাহ তায়াল প্রথম আসমানে নামিয়া আসার অর্থহল বান্দাদের বিশেষ রহমতের নজরে দেখা।

মাওলানা মোঃ নুরুল ইসলাম, সহঃশিক্ষক।
আজাদ বখ্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।

মন্তব্য
Loading...