শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফটোগ্রাফার বিরুদ্ধে নার্সের উপর শারীরিক নির্যাতন, প্রতারণার অভিযোগ

135

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর শাহাবাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফার কর্তৃক স্টাফনার্স প্রতারণা ও নির্যাতনের ঘটনা অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে নির্যাতিতা কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনকারী তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, রাজধানীর শাহবাগে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয় ফটোগ্রাফার সোহেল গাজী চাকুরীর সুবাদে স্টাফনার্স এর সাথে প্রতারণামূলক প্রেম প্রণয় তৈরী করেন। এক পর্যায়ে সোহেল গাজীকে বিবাহের প্রস্তাব দিলে তিনি অস্বীকার করেন। কিন্তু ইতিমধ্যে সোহেল গাজীর পূর্বের বিবাহ এবং সন্তান থাকার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। একপর্যায়ে অভিযোগকারিনী বিষয়টি জানতে পারেন। এ বিষয়ে তিনি প্রতিবাদ করলে তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায় বহুরূপী সোহেল। এ ঘটনায় চিকিৎসা সহ পরবর্তী শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন যাহার নং ৮৫৮। উল্লেখিত বিষয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষ বরাবরে একাধিকবার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে আসলেও কতৃপক্ষ কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করছেনা দাবী করেন অভিযোগকারীনি।অন্যদিকে সোহেল গাজী ক্ষমতার প্রভাবের কারনে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তৎপর রয়েছে সোহেল এর ঘনিষ্ট কিছু লোক,এমনটি জানান অভিযোগকারীনি। এ বিষয়ে সোহেল গাজী মুঠোফনে একাদিকবার যোগাযোগ করলেও তার ব্যাবহার করা ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারী মাসে সোহেল ও তার সঙ্গীরা বিষয়টি নিয়ে পুনরায় তাকে হুমকি দিলে তিনি শারীরিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি আবেদন করেন হাসপাতালটির বরাবর। এ বিষয়ে হাসপাতালের ভিসি কনক কান্তি বড়ুয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘নির্যাতনের ঘটনায় একটি আবেদন পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে’। তদন্ত কমিটির প্রক্টর সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ জানান, ‘আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। আর বিষয়ে ফোনে কোন মন্তব্য করতে চাইনা। যদি এ ঘটনায় কিছু জানতে হয় অফিসে এসে সাক্ষাৎ করে জানেন। তদন্ত শেষে দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’। অভিযুক্ত সোহেল গাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমার সাথে অভিযোগকারিনীর সম্পর্ক ছিলো। আমি তাকে বিবাহ করতে চেয়েছি কিন্তু সে বিবাহ না করে টালবাহানা করছে’। পূর্বের বিবাহ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান। অপরদিকে মেডিকেলের একটি সূত্র জানিয়েছে, সোহেল গাজী এমএলএসএস থেকে ফটোগ্রাফার পদে নিয়োগ পাওয়া নিয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়োগদাতাকে কোন প্রকার যোগ্যতা সনদ নিয়ম অনুযায়ী থাকা সত্ত্বেও গ্রহণ না করে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। যা তদন্ত করলে সত্য প্রকাশ পাবে।

মন্তব্য
Loading...