১৪২৬ বাংলা নববর্ষে দেশবাসীকে বাংলাদেশ ন্যাপ’র শুভেচ্ছা

61


 

বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

 

শনিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শুভেচ্ছা বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, ১লা বৈশাখ ১৪২৬, বাংলাদেশের মানুষ হৃদয় উৎসারিত আনন্দ হিল্লালে বাংলা নববর্ষ বরণ করবে। বাংলা নববর্ষের এই উৎসবে বাংলাদেশ ন্যাপ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বাঙ্গালি ও বাংলাদেশীদের জানায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

 

তারা বলেন, জাতির জীবনে পয়লা বৈশাখ নুতন আঙ্গিক, রূপ, বর্ণ ও বৈচিত্র্য নিয়ে আসে বার বার। এ দিনে স্বজাতির লোকজ ঐতিহ্যের পরম্পরায় তার শিল্প, সাহিত্য, ভাষা, শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, আচরণবিধি, ধর্ম বিশ্বাস, সংগীত, সামাজিক উৎসব, খাদ্যাভ্যাস, ক্রীড়া মনন ও বুননের চালচিত্র ফুটে উঠে। দীর্ঘকাল ধরে গড়ে ওঠা আমাদের ভাষা-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অহঙ্কারকে বিদেশী আধিপত্যবাদী অপশক্তি ধূলিস্যাত ও খর্ব করার নানা ষড়যন্ত্র করেছে, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা কখনো সফল হতে পারেনি। পয়লা বৈশাখ আমাদের সেই গর্বিত ঐতিহ্যকেই আনন্দের মহাসমারোহে স্মরণ করিয়ে দেয়, জেগে ওঠে জাতির আত্মপরিচয়।

 

নেতৃদ্বয় বলেন, নানা ঘটনা ও দূঘর্টনার স্বাক্ষী ১৪২৫ সালের চৌকাঠ ডিঙ্গিয়ে ১৪২৬ সালের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছি। গত বছরের দুঃখ, অবসাদ-ক্লান্তি, হতাশা-গ্লানিকে অতিক্রম করে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা নিয়ে এসেছে নুতন বাংলাবর্ষ। বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ। হাজার বছরের স্বজাতির সাংস্কৃতিক বিনির্মাণের পরিক্রমায় গণতান্ত্রিক বোধ ও চর্চা নিবিড়ভাবে সংশ্লিষ্ট। তাই আমাদের দীর্ঘ ঐহিতাসিক সংগ্রামে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারের নতুন মাত্রা অর্জনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষের উৎসব পেয়েছে এক উদ্ভাসিত বর্ণিল আবহ।

 

তারা আরো বলেন, দুনিয়ার জীবনের কাজ-কর্মের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হল পারস্পরিক লেনদেন। লেনদেন-এ স্বচ্ছতা আনতে যুগ যুগ ধরে এ দেশের ক্রেতা সাধারণ ও দোকানিরা পহেলা বৈশাখেই তাদের বিগত বছরের লেনদেন, হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নেন। হালখাতা তৈরি করেন। হালাল ও স্বচ্চ জীবিকার জন্য নতুন করে ভাবেন। এটা প্রতিটি মানুষের জন্য কল্যাণের বারতাই বহন করে।

 

নেতৃদ্বয় বলেন, ধর্মবর্ণ নির্বিষেশে প্রতিটি মানুষেরই উচিত, স্বচ্চ সুন্দর ও নৈতিক জীবন লাভে অন্যায়, অসত্য ও অসুন্দরকে দুপায়ে দলে শান্তির পথে ও মতে আগামি জীবনের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা। পহেলা বৈশাখ হোক নতুন বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কল্যাণের পথে জীবন পরিচালনার পথচলা।

মন্তব্য
Loading...