নজরুলের গানে দর্শকদের মুগ্ধ করলেন শিল্পী অশোক দাস

121

নজরুলের বাণী আর সুরের মূর্চ্ছনায় দর্শকদের মুগ্ধ করলেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী অধ্যাপক অশোক দাস। রাজধানীর জাতীয় যাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে কবি নজরুল ইনষ্টিটিউটের আয়োজনে ‘নজরুল সংগীতের আসর’-এ ঢাকার শিল্পীদের সঙ্গে গানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন সাগর পাড়ের জেলা পটুয়াখালীর এই গুনী শিল্পী।

রোববার সন্ধ্যায় অসাধারণ এক মনমুগ্ধকর সংগীতের আসর ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এ নজরুল সংগীতের আসরে সন্ধ্যা থেকেই হল বোঝাই নজরুল প্রেমী। মিলনায়তনে হালকা মিষ্টি একটা আলোর আবেশে সেতারের ঝংকারে নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করে। তারপর একে একে নজরুলের গানে বিমুগ্ধ হন দর্শকরা।

চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না…, খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু …, চাঁদ হেরিছে …, ভীরু এ মনের কোনে …, মোর ঘুম ঘোরে এলো মনোহর… অসাধারণ এই গানগুলো বিমোহিত করেন আসরে অংশ নিতে আসা সংগীত পিপাষুদের।

বরেণ্য নরুল সংগীত শিল্পী সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকটি কোরাস গান পরিবেশন করে নজরুল ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

গান পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী যোসেফ কমল রড্রিক্স, শরমিন জাহান, বদরুন্নেসা ডালিয়া, শহীদ কবির পলাশ, এবং সাতক্ষীরার শারমিন পারভিন রত্না এবং পটুয়াখালীর অধ্যাপক অশোক দাস। প্রত্যেকেই দুটো করে গান গেয়ে শোনান দর্শকদের।

অশোক দাস প্রথমেই গেয়ে শোনার নজরুলের ‘খড়ের প্রতিমা পূজিসরে তোরা, মাকে তো তোরা পূজিস নে, প্রতিমার মাঝে প্রতিমা বিরাজে হায়রে অন্ধ বুঝিসনে। আনকমন এই গানটির সূর আর বর্ননায় মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞদতাবোধের আবেদন ফুটে ওঠে। এরপর গেয় শোনান বিখ্যাত আরেকটি গান ‘যে দিন লব বিদায় ধরা ছাড়ি প্রিয়ে, ধুয়ো লাশ আমার লাল পানি দিয়ে’ …। উপস্থিত দর্শকদের মুর্হুমুহু করতালিতে দর্শকরা অভিনন্দিত করেন পটুয়াখালী ললিত কলা একাডেমির অধ্যক্ষ অশোক দাসকে।

এর আগে নজরুলের সংগীত নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।

প্রত্যেক শিল্পীর হাতে ফুল ও ক্রেষ্ট দিয়ে সম্মান জানান কবি নজরুল ইনষ্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আবদুর রাজ্জাক ভূঞা।

মন্তব্য
Loading...