একজন সৎ এবং সাহসী অফিসার হাফিজ আহমেদ

420
gb

দিপু কোরেশী।| জিবি নিউজ২৪.কম || 

ভালো মানুষের ভালো কাজের পিছনে নিন্দা, হিংসা, সমালোচনা থাকবেই। এতে সেই মানুষটির উপকারই হয়।  হাফিজ ভাই উনাকে নিয়ে কোথাকার কে কি লিখেছে। এতে আমরা মৌলভীবাজার বাসি যারা হাফিজ ভাইকে চিনি,জানি তারা কিছুটা অবাক হয়েছি তবে বিচলিত হইনি। এ কারণে যে, সেই অযাচিত মানুষের বিরক্তিকর লেখার কারণে হাফিজ ভাইয়ের এতোদিনের সুনাম এবং সিলেট বিমানবন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে উনার আপোসহীন নেতৃত্ব, সিলেট বিমানবন্দরকে একটি আধুনিক বিমানবন্দর করার প্রয়াস সহ উনার অন্যান্য ভালো অর্জন সম্পর্কে যারা এতোদিন জানতেন না তারাও সেই সত্যগুলি জেনে গেলেন।

হাফিজ ভাইয়ের গ্রহণযোগ্যতা, সুসম্পর্ক সব মহলেই আছে। উনার বন্ধুমহল সহ ছোট, বড় সবার কাছেই উনি একজন সজ্জন,পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি। বিশদভাবে উনার বিষয়ে না লিখে শুধু একটা ঘটনা বিষয়ভিত্তিক হওয়ায় বিষয়টি দায়িত্ববোধ থেকে লিখার এই মূহুর্তে প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। ২০০৮ সালে পারিবারিক এক অনুষ্ঠানে দেশে যাচ্ছিলাম। এক সাথে মোট ২৫ জন আত্মীয় স্বজন ছিলাম, এতে বয়স্ক এবং ছোট শিশুও ছিলেন। তখন হাফিজ ভাই ঢাকা এয়ারপোর্টে কর্মরত ছিলেন। যেহেতু হাফিজ ভাই আমার ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ বাল্যবন্ধু তাই ভাই উনাকে ফোন করে বলেছিলেন ঢাকা বিমানবন্দরে বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য একটু সহযোগিতার প্রয়োজন লাগতে পারে। যা কিনা সকল বিমানবন্দরই বয়স্ক লোকদের জন্য এই আলাদা সুবিধার ব্যবস্থা রাখে। ঢাকায় পৌঁছানোর পর সেদিন বিমানবন্দরে কর্মরত দুইজন ব্যক্তি তাদের দায়িত্ব অনুযায়ী যথেষ্ট সহযোগিতাও করেছিলেন। তখন আমাদের সাথের একজন স্বাভাবিক ভাবেই নিজে থেকে খুশি হয়ে ঐ দুই ব্যক্তিকে কিছু দিতে চাইলেন কিন্তু কিছুতেই উনারা তা নিতে চাইলেন না। কারণে ঐ দুই ব্যক্তি সেদিন বলেছিলেন, এটা তাদের কাজ এবং শুধু আমাদের বেলায় নয় যেকোনো যাত্রীর বেলায় এরকম কিছু তাদের হাফিজ স্যার জানতে পারলে তাদের বিরাট ক্ষতি হবে। এটা শুনে আমার সাথে যারা ছিলেন তারাও সেদিন অবাক হয়েছিলেন। ১১ বছর আগে ঢাকা বিমানবন্দরের এই একটি ছোট ঘটনার গভীরতা সেদিন বুঝতে না পারলেও আজ বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না সিলেট বিমানবন্দরে কি কারণে হাফিজ ভাই কারো কাছে অপছন্দের, কারো কাছে আতঙ্ক!

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন