সফিউল্লাহ আনসারী, ভালুকা( ময়মনসিংহ) :
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে যাওয়ার পথে ভালুকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পথিমধ্যে তিনি গাড়িবহর থামিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। এ সময় এক নারীর কাছ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তোলা একটি স্মৃতিবিজড়িত ছবি উপহার নেন তিনি।
শনিবার দুপুরে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর পৌঁছালে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মী তাঁকে স্বাগত জানান। তাঁকে একনজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে রাস্তার দুই পাশে ভিড় করেন দলীয় সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে মুখর হয়ে ওঠে।
নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসার প্রতি সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাসের ভেতর থেকেই হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। একপর্যায়ে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হাতে একটি বাঁধানো ছবি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরে বাসের দরজা খুলে ওই নারীকে ভেতরে ডেকে নেন এবং কিছু সময় কথা বলেন। এ সময় তিনি নারীর কাছ থেকে ছবিটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
পরে জানা যায়, ওই নারীর নাম মোছা. মলি আক্তার। তিনি ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম আবুল হাশেমের ভাতিজি এবং মরহুম আব্দুল হাইয়ের মেয়ে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মলি আক্তার বলেন, ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভালুকা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক জনসভায় এসেছিলেন। সে সময় তাঁর চাচা মরহুম আবুল হাশেম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি চাচার সঙ্গে ফুলের তোড়া দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সেই মুহূর্তের একটি ছবি দীর্ঘদিন ধরে যত্ন করে ফ্রেমে বাঁধাই করে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন।
তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভালুকা হয়ে ত্রিশালে যাবেন—এ খবর জানার পর আমি ও আমার দুই বোন আগে থেকেই বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলাম। তাঁর নজরে পড়ার জন্য ছবিটি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ভেবেছিলাম, অন্তত এক মিনিট কথা বলার সুযোগ পাব। পরে তিনি আমাকে বাসের ভেতরে ডেকে নেন, আমার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন। এরপর আমি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তোলা সেই ছবিটি তাঁকে উপহার দিই।'
অপরদিকে সংসদ নির্বাচনের আগে ময়মনসিংহের জনসভা শেষে ফেরার পথে উপজেলার সিডস্টোর বাজার এলাকায় স্কুলছাত্রী রেয়ানের সাথে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী, আজ ত্রিশাল যাওয়ার পথে সেই সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ানকে ডেকে উনার গাড়িতে উঠিয়ে খোঁজ খবর নেন ও দোয়া করেন এবং বলেন আমার জন্য বেশি বেশি দোয়া করবা ।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন