পলাশবাড়ীর বাল্য বিয়ের হিড়িক পড়েছে

5,698
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা ||

পলাশবাড়ী উপজেলা ও ইউনিয়ন পযায়ে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করার জন্য, ব্যাপক প্রচার প্রচরণা ও প্রশাসনের নজর দারী বৃদ্ধি করার পরেও অদ্যবধি এই বাল্যবিয়ে কিছুতেই থামছে না। প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতায় কম বয়সী মেয়ের পিতা- মাতারা জম্মনিবন্ধন কার্ডে বয়স বৃদ্ধি করে তাদের মেয়ের বাল্যবিবাহ দিচ্ছে।
এসব পিতা- মাতাদের সহযোগিতা করছে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য,সদস্যারা। তাদের ভোট নষ্ট হয়ে যাবে এমন ভয়ে তারা এসব বাল্যবিয়ে দিতে সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তারা গোপনে প্রকৃত ও ভূয়া কাজীদের সঙ্গে রফাদফা করে গোপনে বাল্যবিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়,উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বালাবামুনিয়া দক্ষিন পাতেরাপাড়া গ্রামের ভোলা মিয়ার কন্যা সাবেদা (১৪) বিয়ে সম্পন্ন করেন উক্ত ইউনিয়নের ভূয়া কাজী ঠান্ডা মিয়া।
এ বিষয়ে ভূয়া কাজীর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে, বাল্যবিয়ের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করেন।
সরকার অনুমতিপ্রাপ্ত ফকিরহাট আল্লাহর দরগা মাদ্রাসার মৌলভী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম কাজী অনুমতি পাওয়ার পরেও তিনি নিজে কাজ না করে বিভিন্ন ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিয়ের রেজিঃ বই দিয়ে বাল্যবিয়ের কাজ করে আসছেন।
গত শনিবার ৩০/৯/১৭ বরকতপুর ৩নং ওয়ার্ডে দুইটি বাল্য বিয়ে রেজিঃ করা হয়েছে, আঃ রশিদের কন্যা জেসমিন আকতার (১৪) পাশাপাশি মালিয়ানদহ গ্রামের মজি মিয়ার ছেলে আলমগীর (১৮) একই গ্রামের আঃ মালেক মিয়ার কন্যা মরিয়ূম খাতুন ১৩) বরকতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাএী।