সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: এফতে খাইরুল আলম খান সরকারের নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করেই নিজের ইচ্ছে মত অফিস করেন

259
gb

হাফিজুল হক, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: এফতে খাইরুল আলম খান নিজের ইচ্ছেমত অফিসে আসেন আর যান বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে এবং সে নিজেও স্বীকার করেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি হাসপাতালে তার অফিসে আসেন আবার ২ টার সময় তিনি চলে যান। সরকারের কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই এভাবেই প্রতিদিন তিনি অফিস করছেন বলে একাধীক সুত্রের সাথে সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।এর কারন হিসাবে সে জানিয়েছে নওগাঁ হতে সাপাহার যাওয়া আসা পুরোটায় মনের ইচ্ছের পরিপন্থি,কোন মতে নওগাঁ বদলী হওয়ার জন্য সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে নিজের বাবার পৈত্রিক সম্পত্তি বানিয়েছে।বর্তমানে সরকারী হাসপাতালে প্রশাসনিক কার্যক্রম ঠিকমত চলছেনা বলেও একাধীক সুত্রে জানা গেছে,নিজ ক্ষমতা মুলে চাকরী করছে নার্স-আয়া,গতকাল সকাল ১০ টা হতে ১২ পযন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের অবস্থানকালে একটিও আয়া উপস্থিত ছিল না।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা প্রধান কর্মকর্র্তা ডা: এফতে খাইরুল আলম খান বেলা সাড়ে ১১ টায় অফিসে আসলে সাপাহার রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক হাফিজুল হক এর সাথে কথা হলে সে জানায় তারা তাদের নিজেদের নিময় অনুযায়ী চাকরী করবে এতে আমি কি করবো। সাপাহার সরকারী হাসপাতালের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ মাসিক মিটিং এ গত (সোমবার) স্বাস্থ্য বিভাগের আলোচনায় জানান যে, সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: এফতে খাইরুল আলম খান যথারিতি সময় অনুযায়ী বেসিরভাগ সময়ে তার কর্মস্থ্যলে অনুপস্থিত থাকেন। এ সময় ওই মিটিংএ স্থানীয় সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুল আলম শাহ চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সবুর আলী সহ উপজেলা প্রশাসনের সকল অফিসার, সকল ইউপি চেয়ারম্যান সহ গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গণ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার শত শত ভুক্তভোগী রুগীরা অভিযোগ করেন, হাসপাতালের নার্সরা রুগীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের নিকট অনেক বার অবগত করার পরও ভালো ফলাফল পাওয়া যায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: এফতে খাইরুল আলম খানকে একাধীক বার জানালে তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই রহস্যজনক ভাবে এড়িযে যান তবে অনুমান করা যায় তার কাঁটা ঘাঁয়ে লবনের ছেঁটা লেগেছে,অনেকেই ভেবে পারছেনা এদের মাঝে এত কিসের গভির সম্পর্ক।নিজের নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করেই নিজের ইচ্ছে মত অফিস করেন আবার অন্যদের ও সুযোগ প্রদান করেন। এ বিষয়ে নওগাঁ সিভিল সার্জন ডা: মমিনুল ইসলাম জানান, সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: এফতে খাইরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অফিসে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি শুনেছি। তাঁর বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন অফিস থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।