গোপালগঞ্জে বারি জাতের সরিষার বাম্পার ফলন

380
gb

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণাইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি ১৪ ও ১৭ জাতের সরিষা হেক্টরে দুই টনউৎপাদিত হয়েছে। এ জাতের সরিষা আবাদ স¤প্রসারিত হলে দেশেসরিষার আমদানি নিভ্ররতা কমবে। প্রতি কেজি এই দুই জাতের সরিষাথেকে ৫০০ গ্রাম তেল পাওয়া যায়। আবাদের মাত্র ৯০ দিনের মাথায় ক্ষেতথেকে এ সরিষা তোলা যায়। তারপর ক্ষেতে বোরো আবাদ করা যায়। বারি
সরিষা আবাদ করে গোপালগঞ্জের কৃষক বাম্পার ফলন ও বিশাল মুনাফাপেয়েছেন।বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদীঘলিয়া গ্রামেবারি ১৪ ও ১৭ জাতের সরিষার উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তির ওপর মাঠ দিবসথেকে কৃষি বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য দেন। বাংলাদেশ তেল বীজ ও ডাল ফসলেরগবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা
ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ সরেজমিন গবেষণা বিভাগ আয়োজিত এমাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক ড. আবদুল লতিফআকন্দ। এ বছর গোপালগঞ্জ জেলায় ১৭ হেক্টরে বারি ১৪ ও ৩ হেক্টরে বারি ১৭জাতের সরিষার ৩০টি প্রদর্শনী প্লট করা হয় বলে কৃষি গবেষণাইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ সরেজমিন গবেষণা বিভাগ জানিয়েছে।গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদীঘলিয়া গ্রামে কৃষক মো. আবু সরদারবলেন, স্থানীয় জাতের তুলনায় তিনগুণেরও বেশি বারি সরিষা ফলায় তিনিব্যাপক মুনাফা পেয়েছেন। এ সাফল্য দেখে আগামী বছর তার গ্রামেরঅনেক কৃষক এ জাতের সরিষা আবাদের আগ্রহ দেখাচ্ছেন।তেল বীজ ও ডাল ফসলের গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. আবদুললতিফ আকন্দ বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় গোপালগঞ্জের কৃষি উৎপাদনবৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছি। একদিকে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধিপাচ্ছে, অন্যদিকে আবাসনের জন্য দিন দিন কৃষি জমি কমছে। এঅবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীলজাতের বীজ কৃষককে দিয়ে আবাদ করিয়ে এ প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদনবৃদ্ধির চেষ্টা করে যাচ্ছি।
গোপালগঞ্জ কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হরলালমধু বলেন, বারি ১৪ ও ১৭ জাতের সরিষা আবাদ করে কৃষক কৃষি উৎপাদনবৃদ্ধির পাশাপাশি লাভবান হয়েছেন। এ জাতের সরিষা আবাদস¤প্রসারিত হলে দেশে সরিষার আমদানিনিভ্ররতা কমবে।