Bangla Newspaper

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত

59

আনসার আহমেদ উল্লাহ ||

 গত ২১-১১-২০১৭ মঙ্গলবার দুপুর ০১.৩০ থেকে ০৩.০০ ঘাটিকা পর্যন্ত বেলজিয়ামস্থ ইউরোপিয়ান পার্লিমেন্টে ইউরোপিয়ান কূটনীতিকদেরসংগঠন “ইনডিপেনডেন্ট ডিপ্লোমেট” এর আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা শীর্ষক একটি সেমিনারঅনুষ্ঠিত হয়। বার্মার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের উপর জাতিগত নিধন প্রতিরোধে ই ইউ কি কি ভুমিকা রেখেছে এবং এই সংকটের স্থায়ী সমাধানেআর কি কি করণীয় রয়েছে সেসব বিষয়ে আলোচনা হয় এই সেমিনারে। এতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশথেকে রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মী, সংবাদ কর্মী, শিক্ষবিদ, ছাত্র সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বেলজিয়ামস্থ বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষথেকে উপস্থিতছিলেন বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা, বেলজিয়ামস্থ বাংলাদেশীদের সামাজিক সংগঠন “এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশী কমিউনিটি ইন বেলজিয়াম”এর সাবেক সভাপতি ও বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি সহিদুল হক, এ বি সি বি – র এম এম মোর্শেদ ও আওয়ামী লীগ নেতাআখতারুজ্জামান এছাড়া বেলজিয়াম সোসালিস্ট পার্টি ও চেরিটি সংগঠন হ্যান্ড টু হ্যান্ড এর আ ফ ম গোলাম জিলানী। এতে বক্তব্য রাখেন ইইউ পার্লামেন্টে’র সদস্য এনা গোমেজ সহ বিভিন্ন দেশ থেকে নির্বাচিত বেশ কয়েক জন এম ই পি, বার্মিজ রোহিঙ্গা অর্গানিজেশন ই ইউ কে’রথুং কিন, বার্মা হিউম্যান রাইট্স নেটওয়ার্কের কিয়্য উইন এবং ইউরোপীয়ান রোহিঙ্গা কাউন্সিলের আম্বিয়া পারভীন। উল্লেখ্য বাংলাদেশীদেরপক্ষ থেকে আ ফ ম জিলানী ও এম এম মোর্শেদ ও এতে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন নিজের অনেক সমস্যা থাকা সত্বেও মানবিক কারনেবাংলাদেশ তথা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী মাধার অব হিউমিনিটি, বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত জন নেত্রী শেখ হাসিনা, বিশ্বের মধ্যে অতি অল্প সময়েসর্ববৃহৎ সংখ্যক স্বরনার্থীর অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের ব্যবস্থা করছেন। কিন্তু বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিৎ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানেরব্যাবস্থা করা। রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে অন্যায়ভাবে কেড়ে নেয়া নাগরিকাত্ব, তাদের ধন সম্পদ, জায়গা জমি, ভিটে বাড়ি, দীর্ঘদিন যাবৎ অন্যায়ভাবে বঞ্চিত রাখা শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদির অধিকার সহ যাবতীয় নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে অতি দ্রুততার সহিত তাদের মাতৃ ভূমিতেফেরৎ নেয়ার জন্য মায়ানমার সরকারকে বাধ্য করা। ই ইউ সহ বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিৎ মায়ানমারের সাথে সাথে ইন্ডিয়া, চীন ও রাশিয়ার উপরও চাপ প্রয়োগ করা, কারণ তাদের অন্যায় অস্কারার কারণেই অদ্যাবধি মায়ানমারে রোহিঙ্গা নিধন বন্ধ হয়নি। তারা আরো বলেন এ সমস্যারসমাধান যদি সহসা না করা হয় তবে সেদিন বেশী দূরে নেই যে “এই রোহিঙ্গা সমস্যার ক্ষতিকর প্রভাব পুরু দক্ষিণ এশিয়া সহ সাড়া বিশ্বেইপরতে শুরু করবে। সেমিনারে সবাই একমত পোষণ করে বলেন যে অর্থনৈতিক চিন্তা করে কিছু দেশের অতি লোভী অর্থনৈতিক চিন্তা থেকেএই গণহত্যার বেলায় নিশ্চুপ

Comments
Loading...