Bangla Newspaper

সার্জেন্ট কতৃক সাংবাদিককে নির্যাতন এর তিব্র নিন্দ্রা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানাই

0 94

হেমন্ত বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ জেলা রিপোর্টাস ক্লাব এর পক্ষ থেকে সার্জেন্ট কতৃক সাংবাদিককে নির্যতন করায় এর তিব্র নিন্দ্রা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছে ক্লাবের সভাপতি সহ সকল সদস্যবৃন্দ। এ উপলক্ষে জেলা রিপোর্টাস ক্লাব এর পক্ষ থেকে একটি আলেচনা ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জ জেলা রিপোর্টাস ক্লাব সভাপতি এস এম মওদুদ হোসেন রেন্টু। এ প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা রিপোর্টাস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরিফুল হক আরিফ, সহ-সভাপতি পারভেজ লিপু ও সুলতান আহম্মেদ, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংগাঠনিক সম্পাদক মুরাদ বিশ্বাস, অর্থ সম্পাদক এম আরমান খান জয়, সদস্য সুবল দাস, হাছানুল বান্না, হেমন্ত বিশ্বাস সহ প্রমুখ। এ সভায় সকল সাংবাদিকবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিক দেশ ও সমাজের চোখ। দেশের সকল শ্রেনীর মানুষ দেশ ও বিদেশের আর্থীক, দূর্দশা দূরনীতি, উন্নতীসহ সকল খবর জানতে পারে সাংবাদিকের লেখনীর মাধ্যমে। কিছু অসাধূ অফিসার এদের কলমকে বন্ধ করতে পাড়লে আদের সার্থ হাছিল করতে পারে। তাই এ অসাধূ সার্জেন্ট তার অপকর্ম ঢাকার জন্য সংবাদিকের উপর নির্যাতন করে। সার্জেন্ট মুস্তাইন জানে না একজন সাংবাদিকে নির্যতন করে আপনি আপনার সার্থ সিদ্ধ করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, রাজধানীর মৎস্য ভবনের সামনে এক ফটো সাংবাদিককে মারধর করেছেন মুস্তাইন নামে ট্রাফিক পুলিশের এক সার্জেন্ট। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ফটো সাংবাদিকের নাম নাসির উদ্দিন। তিনি মানবজমিন পত্রিকায় কাজ করেন। প্রেস ক্লাব থেকে অফিসে যাওয়ার পথে মৎস্য ভবনের সামনে তাকে আটকে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চান সার্জেন্ট মুস্তাইন। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও তার সঙ্গে হেলমেট না থাকায় একটি মামলা দিতে চান সার্জেন্ট। মামলা না দেয়ার অনুরোধ করলেও তিনি শোনেননি এবং মামলা দেন। এ সময় নাসির ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করার সঙ্গে সঙ্গে তার জামার কলার ধরে চড়-থাপ্পড় মেরে পুলিশ বক্সে নিয়ে যান ওই সার্জেন্ট। নাসির বলেন, আমি সার্জেন্টকে জানাই তিন-চারদিন আগে আমার হেলমেট চুরি হয়েছে। বেতন পেলে কিনব। কিন্তু তিনি কোনো কথা না শুনেই আমাকে মামলা দেন। তিনি বলেন, আমি নাকি হলুদ সাংবাদিক। এ সময় আমি ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করতে চাইলে তিনি আমার হাত থেকে ক্যামেরা নিয়ে আরেক পুলিশ কর্মকর্তাকে দেন এবং আমাকে মারধর করেন। পরে সিনিয়র সাংবাদিকরা এসে আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

Comments
Loading...