বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন নির্দলীয় ,নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হতে হবে।বর্তমাস সরকার নিজেদের গুম,খুন আর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে আড়াল করতে একর পর এক পরিকল্পিত ইস্যু সৃষ্টি করছে।দেশ এখন স্পষ্টত দুভাগে বিভক্ত।একপক্ষ শোষক আর একপক্ষ শোষিত।যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশবাসী চায়।কিš ‘অরাজকতা আর ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্র ঘৃন্য চক্রান্ত।বর্তমান সরকারকে ইসলামবিরোধী ও মহানবী (স)কে নিয়ে কটাক্ষকারী ও অবমাননাকারীদের মদদ দেবার অভিযোগ করে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ সেন্টার ফর সোসিয়েল ডেভেলাপমেন্ট ইউকের সেমিনারে বক্তারা আরো বলেন,দেশ সিভিল ওয়ার বা গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে এর নিষ্পত্তিতে এগিয়ে আসতে হবে। যে দল নিজেদের দেশপ্রেমিক হিসেবে দাবি করে, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে তাদের। হানাহানির রাজনীতি কারও জন্যই শুভ ফল বয়ে আনবে না। সংবাদপত্রের নীতি নৈতিকতা মেনে সত্য তথ্য তুলে ধরে সঠিক সংবাদ পরিবেশন করায় এবং দেশের মানুষের কথা বলায় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বিশেষ একটি গোষ্ঠীর চক্ষুশুলে পরিণত হয়েছেন। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে বিরোধী মত, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মানুষের মৌলিক অধিকারকে দলন করে আসছে। জনগণকে মিথ্যা প্রতিশ্র“তি দিয়ে ক্ষমতাসীন হয়ে শাসক দল সরকারি ক্ষমতাকে ব্যবহার করে সন্ত্রাস, দখল, লুটপাটসহ সর্বগ্রাসী দুর্নীতিতে নিজেদের আকণ্ঠ নিমজ্জিত রেখেছে। নিজেদের অপশাসন টিকিয়ে রাখতে এরা বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য গুম, অপহরণ ও গুপ্তহত্যার মতো নৃশংস পথ বেছে নিয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের সমালোচনায় বিরোধী দলের সংবিধান বর্ণিত অধিকারগুলো দুঃশাসনের নিষ্ঠুর যাঁতাকলে পিষ্ট করা হচ্ছে। চার বছরে এ সরকারের অপকর্মের তীব্রতা এতোই বেশি যে, এর বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ ছাইচাপা আগুনের মতো আর লুকানো থাকছে না, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ন্যায় তা উদগীরিত হচ্ছে। তাই জনগণের ক্রোধকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সরকার নানা চক্রান্তজাল বুনে যাচ্ছে। তবে চক্রান্তের ঘূর্ণাবর্তে জনগণকে কখনই বিভ্রান্ত করা যায় না। সরকারের গণবিরোধী নীতি ও অনাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার দেশের লেখক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মুক্তবুদ্ধির বুদ্ধিজীবীদের ওপর আক্রমণ ও হুমকি গত চার বছরে বিপজ্জনক রূপ ধারণ করেছে এবং স্বৈরতন্ত্রের এ চরম নগ্নরূপের ফলশ্রুতিতে দেশে বিরাজমান রয়েছে দুঃসহ অশান্তি ও হানাহানির পরিবেশ।
মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ সেন্টার ফর সোসিয়েল ডেভেলাপমেন্ট ইউকের উদ্যোগে গত বুধবার পুর্ব লন্ডনের মন্টিফিউরী সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভা কর্মশালায় বক্তারা একথাগুলো বলেন।সংঘটনের চেয়ারম্যান মইদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ব্যারিষ্টার আবু সায়েমের পরিচালনায় সেমিনারে বক্তব্য রাখেন,
সেমিনারে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন সৈয়দ মামনুন মোরশেদ, অবসর প্রাপ্ত কর্নেল রিটার্ড আশরাল আল দ্বীন, ডেপুটি মেয়র অব টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলার ওহিদ আহমেদ, ড. ফিরোজ মাহবুব কামাল, ব্যারিষ্টার নাজির আহমেদ, মনোয়ার হোসেন বদরুদ্দোজা, রিটার্ড মেজর সিদ্দিক, মজিুবর রহমান মুজিব, আবুল কালাম আজাদ, ড. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস দামবেল, শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ওমর ফারুক, এম এ কাদের, ব্যারিস্টার তমিজ উদ্দিন, ব্যারিস্টার তালহা, ওলিউল্লাহ নোমান, এম এস আজাদ, ব্যারিস্টার আলিমুল হক লিটন, মুহিবুর রহমান সঞ্জব। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো: রিয়াজ উদ্দিন, আলহাজ্ব সাদিক মিয়া, জি এম মোর্শেদ হোসাইন, সমির আলী, মিসবাহুর রহমান, সেলিম আহমেদ প্রমূখ।





