বাংলাদেশ, চীন, ভারত এবং মিয়ানমারের সম্পর্ক উন্নয়ন এ অঞ্চলের বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ছে ভারত ও চীনের। যোগাযোগ ও ব্যাংকিং সমস্যা মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে বাধা হয়ে আছে। ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে কোটা ও ডিউটি ফ্রি সুবিধা প্রদান করেছে। ব্যাবসা-বাণিজ্য প্রসারের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অবদান রাখছে।
বাংলাদেশ, চীন, ভারত এবং মিয়ানমার (বিসিআইএম) ফোরামের ‘কো-অপারেশন ইন দি এরিয়াস অব ট্রেড, ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ফাইন্যান্স’ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের এসব কথা বলেন। গতকাল শনিবার ঢাকার মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে আছে যোগাযোগ ও ব্যাংকিং সমস্যা। এসব বাধার পরও বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে বিমান চলাচল চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তবে এ অঞ্চলের ব্যবসার প্রসার ঘটাতে আন্তবাণিজ্যের ক্ষেত্রে সুবিধা বৃদ্ধি ও প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। একইসঙ্গে বিজনেসম্যান টু বিজনেসম্যান (বিটুবি) যোগাযোগ বাড়াতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো দূর করা জরুরি। ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধাও বাড়াতে হবে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ধারণাকে কাজে লাগাতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশ ও দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্কের আরো উন্নয়ন করতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় বর্ডার হাট চালু করা হয়েছে। এখানে উভয় দেশের মানুষ পণ্যের গুণগত মান সম্পর্কে জানতে পারছে। তা ব্যবসা প্রসারে সহায়ক হচ্ছে। এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে সরকার এবং ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে।
চীনের ইয়ান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল মা ইয়ানফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিডিপির নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান, সিডিপির সম্মানিত ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য, সাবেক রাষ্ট্রদূত আশফাকুর রহমান, ব্যাংকার নূরুল হক মজুমদার এবং চীন, ভারত ও মিয়ানমারের ডেলিগেশন সদস্যরা।




