বই মানে নতুন আলোর রাস্তা। যে রাস্তায় আগামীর ঠিকানায় যাওয়া যায়। সে বই দিয়ে সাজানো হয়েছে সময়ের সবচেয়ে আলোচিত মেলা; বইমেলা। আর এই বইয়ের সারিতে রয়েছে ছোটদের প্রিয় সব লেখকের বই। মেলায় আসছে ছন্দিত উচ্চারণের হাজারো বই। সে বইয়ের মধ্যে রয়েছে মনোয়ার হোসেন মনির ‘বাহাদুর বাঁশরীয়া’, সুমন্ত আসলামের ‘জিনিয়াস জিনিয়ান’, ‘মহাবিপদে পাঁচ গোয়েন্দা’, ইমদাদুল হক মিলনের ‘মটকু মিয়ার গার্ল ফ্রেনড’, ‘সাদা ঘোড়ার সোয়ারি’, আনিসুল হকের ‘একাত্তরের একদল দুষ্ট ছেলে’, মোমিন মেহেদীর ফেসবুক ভূত, রাহমান ওয়াহিদের ‘ভূত কন্যা’ ও ‘নীল ঝরনার দেশে’, বদরুল আলমের ‘অলৌকিক ময়না’, সাজ্জাদ কবীরের ‘হারিয়ে গেল অরুণ’, লুৎফর রহমান রিটনের ‘অর্জুন’, গৌতম ঘোষের ‘লেট্?স রাইট এ বি সি’, আসাদ চৌধুরীর ‘বুট জুতো পায়ে বিড়াল’, ‘এক যে ছিল বোকা রাজা’, সামারা তিনি্নর ‘ভৌতিকতা’, মহাম্মদ লিমন হোসেনের ‘ভীতু পালোয়ান’, মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘গাব্বু’, দন্ত্যস রওশনের ‘নোটুর সেভেনটি ওয়ান,’ হাফিজ আল ফারুকীর ‘গ্রুপ লিডার,’ মোহিত কামালের ‘বন্ধু আমার বন্ধু’, রনজিৎ সরকারে ‘স্কুলে ভূতের আড্ডা’, নজরুল ইসলামের ‘ভালো আর মন্দের কাহিনী’, সোমা সুলতানার ‘বুদ্ধিমতী জাইমা’, আলী ইমামের ‘কুঠিবাড়ি রহস্য’, রফিকুজ্জামান হুমায়ুনের ‘জোবেদার আজব কাহিনী’ ওবায়দুল সমীরের ‘পটলার পল্টু ভাই’, তানজিল রিমনের ‘আমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেন’, নীহার মোশারফের ‘ভূত-ভূতুরে’, তাহমিনা খলিলের ‘অমিয়ার গল্প সমগ্র’, নাজমা আরেফীনের ‘লাল গোলাপ ও মুক্তিযুদ্ধ,’ ফরিদুর রেজা সাগরের ‘কিশোর অমনিবাস’, ‘সুতোয় বাঁধা পুতুল’, ‘কিশোর সমগ্র-৯’, ‘এবারও হাফডজন ছোট কাকু’, ‘লাল বেবিটেক্সি’, ‘প্যারিসের হ্যারিস সাহেব’, লুৎফর রহমান রিটনের ‘গণেশ ধনেশ রণেশ এবং ভূতের বাচ্চা’, আনিসুল হকের ‘একাত্তরের একদল দুষ্টু ছেলে’, আনজির লিটনের ‘ভূতের গলির ভূত’, কাফি কামালের ভ্রমণকাহিনী ‘কুতুবমিনার থেকে কন্যাকুমারী’, ইকবাল খন্দকারের ‘স্কুলজুড়ে আতঙ্ক’, পলাশ মাহবুবের ‘দুই দল দুরন্ত’, মনি হায়দারের ‘লাল ঘুড়ি ও রাজকন্যা’, বশীর আল হেলালের ‘শিশিরের দেশে অভিযান’, বেবী মওদুদের ‘টুনটুনি টুনটুন’। ছড়ার বইয়ের মধ্যে আছে রব্বানী চৌধুরীর ‘ছড়ায় ছড়ায় ছড়াকার’, ‘স্বাধীন বাংলার ছড়া’, আসলাম সানীর ‘ঢাকাই ছড়া’, হাসনাত আমজাদের ‘মাঠের ছবি ঘাটের ছবি’, আলম তালুকদারের ‘১০ হালি তালিবালি’, আমীরুল ইসলামের ‘পাখিমেঘ ও মেঘ পাখির ছড়া’, ‘অপারেশন টেবিলে লেখা আমার ছড়াগুলো’, সৈয়দা রাশিদা বারীর ‘শাকসবজির গুণাগুণ ভালোভাবে সবাই জানুন’, জসীম আল ফাহিমের ‘ফুল পাখি আর প্রজাপতি’, আমিরুল ইসলামের ‘ছড়া রচনাবলী’, বশিরুজ্জামান বশিরের ‘ছড়ায় ছন্দে ছড়াকার’, শাকিল মাহমুদের ‘স্বপ্নবোনা টাট্টুঘোড়া’, শাহীন খানের ‘বটগাছে সাদা ভূত’, আবদুল হাসিবের ‘এক টুকরি সিলেটি ছড়া’, লোকমান আহম্মদ আপনের ‘আমি ছড়া বলছি’, শওকত নূরের ‘চাঁদের দেশে,’ ‘ভুলু মাস্টারের ভূতের স্কুল,’ মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাকের ‘আমার শত ছড়া কবিতা’, রফিক সিদ্দিকীর ‘পরীর মেয়ে’, সৈয়দ রাশিদা বারীর ‘ছড়ায় ছড়ায় ফল চিনি’। গল্পগন্থের মধ্যে আছে মাহবুবা চৌধুরীর ‘ভূতের চিঠি’, বকুল আশরাফের ‘রঙের মেলা’, কাদের বাবুর ‘ভূতের বন্ধু টুত’, প্রদীপ ব্যানার্জীর ‘ইচ্ছেফড়িং তিড়িং বিড়িং,’ বিপাসা ম-লের ‘অ্যাডভেঞ্চার সুন্দরবন’, শেখ মাসুম কামালের ‘বিঙ্কুর মামা,’ রোহিত হাসানের ‘কিছলু মিস্টার ফটাশ’, রকিব হাসানের ‘পিচাশ সম্রাট’, সিফাত চাখারীর ‘অদ্ভুতুড়ে’, অদিতি ফাল্গুনীর ‘প্রবাল দ্বীপে টিয়া টিটো’, সালেহা চৌধুরীর ‘তোমাদের জন্য চিরকালের গল্প’, খন্দকার মাহমুদুল হাসানের ‘শিশু-কিশোর গল্পসমগ্র’, শওকত নূরের ‘পাগলা দাদার কা-’, জুবাইদা গুলশান আরার ‘হেনা আমার দেশের গল্প পড়ি’, আহসান হাবীবের ‘ছোটদের ভূত’, মাহবুব রেজার ‘বাঘের বাচ্চা’, শামীম আহমদের ‘ভূতের ভোজ’, রাবেয়া খাতুনের ‘ছোটদের ছোটগল্প’, লুৎফর রহমান রিটনের ‘গণেশ ধনেশ রণেশ এবং ভূতের বাচ্চা’, আমীরুল ইসলামের ‘কোনালের বাবাবন্ধু ও অন্যান্য গল্প’, কাইজার চৌধুরীর ‘ছটাগল্পের ছটা’, শরিফুল ইসলামের ‘বিড়ালের মামি’। এছাড়া শিশু সাহিত্যের অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে আছে রাজীব রাজুর ‘অ আ ক খ পড়ি লিখি খেলি’, হাফেজা হকের ‘অদ্বিতী শিশু কিশোর নলেজ ব্যাংক’ মারুফ কামাল খানের কাব্যগ্রন্থ ‘অসময়ের দৌড়, সুজন বড়ুয়ার ‘আমাদের শিশুসাহিত্য নানা রঙের ঢেউ’, আলী ইমামের ‘আমার কিশোর তথ্য বই’, ‘ছোটদের হুমায়ূন আহমেদ’, আহমাদ মোস্তফা কামাল সম্পাদিত রবীন্দ্র কিশোরতোষ ‘রৌদ্র ছায়ার খেলা’ ইত্যাদি। সময়ের সাথে সাথে এগিয়ে আসছে একুশে ফেব্রুয়ারি। সেই দিন নতুন করে শপথ নিতে হবে বাংলা ভাষার জন্য, নতুন ধারার জন্য। যাতে করে আমাদের ভাষা-আমাদের স্বাধীনতা থাকে অক্ষুণ্ন… পরিশেষে বলে দিচ্ছি, নজরুল মঞ্চের সামনে শিশু কর্নারে রয়েছে একাডেমীর একটি বিশেষ স্টল। এখানে শিশুতোষ বই বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে রঙিন ফুল, ঝিঙে ফুল, শিশু প্রকাশন, আরো প্রকাশন, ইতি প্রকাশন, প্রগতি পাবলিকেশন্স, প্রিয় প্রকাশন, পাতাবাহার, টইটম্বুর, চলন্তিকা বইঘর, ফুলকি বই কেন্দ্র, পিপিএমপি, পাঠশালা, ওয়ার্ল্ড অব চিলড্রেনস বুকস লিমিটেড, ছোটদের মেলা, নলেজ ভিউ, টইটম্বুর, আদি দিগন্ত প্রকাশন। আরো অনেক সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থাও শিশুতোষ বই প্রকাশ করেছে। এগুলোর মধ্যে পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স, সাহিত্য প্রকাশ, সাহিত্য বিকাশ, আহমদ ব্রাদার্স, বাংলা প্রকাশ, উল্লেখযোগ্য। শিশুদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী বই প্রকাশ করেছে প্রগতি ও ডার্ক প্রকাশন। প্রগতির বিষয়ভিত্তিক বইগুলোর পরিবেশনাও নন্দনীয়। পরিশেষে বলি, আমার মতে বাংলা ভাষার ব্যাপ্তি বাড়াতে চাইলে অবশ্যই এ মেলার পরিসর বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে শুধু দেশি প্রকাশকই নয়_ বিদেশি প্রকাশকদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। প্রিয় বন্ধুরা, তোমরা আসবে হাসবে আর খোঁজ করবে বাংলাদেশের আরো সব প্রিয় লেখকদের বই। সেই প্রিয় লেখকদের তালিকায় দেখ তো আশরাফুল আলম পিনটু, বকুল হায়দার, রাশেদ রউফ, প্রিন্স আশরাফ, জসীম আল ফাহিম, আফরোজা অদিতির নাম আছে কিনা… পাঁচ পরীর গল্প – আনিসুল হক, শুভ্র প্রকাশ। আমি ছড়া বলছি – লোকমান আহম্মদ আপন, জলছাপ প্রকাশন। শব্দরম্য – স,ম শামসুল আলম, সাহিত্যদেশ। রক্তচক্র – প্রিন্স আশরাফ, মুক্তদেশ। মিষ্টি মেয়ে টুকটুকি – মিজানুর রহমান মিথুন, সাহস। নীল ডাউনে ফাস্ট বয় -আহসান হাবীব, শুভ্র প্রকাশ।মোমিন মেহেদী,যাযাদি।




