Tuesday, 18th June, 2013, 10:51 PM
» « দেলদুয়ার প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক বহিষ্কার » « কারাবন্দী জুবায়ের-এর বাসায় নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী » « সিরিয়া প্রসঙ্গে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করুন: লন্ডন মেয়র জসনস » « আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে সাকিব আবার সেরা অলরাউন্ডার » « ছাত্রলীগ যুবলীগ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হবে না:পার্থ » « রোজার জন্য প্রস্তুত করুন নিজেকে » « লন্ডন মেয়রের চেয়েও জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে প্রধানমন্ত্রী » « দ্য গার্ডিয়ান’র প্রতিবেদন-সহিংসতায় বাংলাদেশের নির্বাচন বিঘ্নিত হতে পারে » « কারণ দর্শানো নোটিশের জবাবে দিগন্তের দুঃখপ্রকাশ » « সেই ‘ইয়াবা সুন্দরী’র অভিষেক এবার বড় পর্দায়

কো-চেয়ারম্যান হতে পারেন তারেক রহমান:বিএনপির কাউন্সিল

Tareq-zia1জিবিনিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ মার্চ। কাউন্সিলে বিশেষ কোনো পরিবর্তন আসছে না। এটা অনেকটাই নিয়ম রক্ষার কাউন্সিল। নতুনত্ব তেমন না থাকলেও নতুন পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন তারেক রহমান। গতবারের মতো এবারও তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতেই কাউন্সিল হতে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ভেন্যু না পাওয়ার কারণে কাউন্সিল পিছিয়ে দেয়া হয়। এবার ভেন্যু নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বিএনপির নীতিনির্ধারক একটি সূত্র। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিএনপিকে নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, আগামী কাউন্সিলে বিএনপির চেয়ারপারসন পদে বেগম খালেদা জিয়াই বহাল থাকছেন। চেয়ারপারসন হিসেবে তাকে নতুন করে নির্বাচিত করা হবে। এ ছাড়াও দলের মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত করা হবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। তবে তার নামের আগে এখন যে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কথাটি যুক্ত রয়েছে তা কি মুক্ত করা হবে না কি এই মেয়াদেও তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবই রাখা হবে এ সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এদিকে বিএনপির কাউন্সিলে নতুন পদে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। বর্তমানে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত। অসুস্থতার কারণে বিদেশে অবস্থান করায় সরাসরি দায়িত্বপালন করতে না পারলেও লন্ডন থেকেই দলের জন্য কাজ করছেন। মাকে সহায়তা করছেন। দলের নেতাদের জন্যও বিভিন্ন সময়ে নির্দেশনা দিচ্ছেন। গত কাউন্সিলে তাকে ওই পদে আসীন করা হয়। দলের কনস্টিটিউশনে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি না থাকলেও ওই সময়ে তার জন্য ওই পদটি দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করেই করা হয়েছিল। এবারও তার জন্য আরো এক দফা দলের গঠনতন্ত্রে সংশোধন আনা হতে পারে। এজন্য তার পদ হিসেবে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদটি বিলুপ্ত করে বা বাদ দিয়ে নতুন করে পদ সৃষ্টি করা হতে পারে কো-চেয়ারম্যান/কো-চেয়ারপারসন। এই পদটি বর্তমানে গঠনতন্ত্রে নেই। এটি না থাকার কারণে নতুন করে তৈরি করতে হলে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে তা সুনির্দিষ্ট করতে হবে, সেই সঙ্গে তার দায়দায়িত্ব ও ক্ষমতা সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের চেয়ে আরো বাড়ানো হবে। এর আগে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের পদের ওখানে সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছিল দলের চেয়ারপারসনের অবর্তমানে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দলের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করবেন। এখন কো-চেয়ারম্যানের পদ তৈরি করা হলেও এই বিধানটি বহাল রাখা হবে। এছাড়া আরও নতুন কিছু ক্ষমতা তাকে দেয়া হবে। এর কারণ হিসেবে বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরামের এক নেতা বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের পর তার বড় পুত্রই হবেন দলের চেয়ারপারসন। আর তা হতে যেন কোনো ধরনের কোনো সমস্যা না হয় এ কারণে আগে থেকেই পদ তৈরি করা রাখা হচ্ছে এবং নিয়ম করে রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এটা নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।

এদিকে সূত্র জানায়, কাউন্সিলের দিন গুরুত্বপূর্ণ এই সব পদের ঘোষণা দেয়া হতে পারে। তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ওই দিন ঘোষণা করা হবে না। পরে ঘোষণা করা হবে। এজন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব দেয়া হবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও দলের মহাসচিবকে। তারাই কমিটি করবেন।

সূত্র জানায়, এবারও বিএনপির কাউন্সিল করার মধ্য দিয়ে দলের কাউন্সিল করা নিয়ে যে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক নিয়ম অনুসরণ করা ও সারাদেশের সদস্যদের দিয়ে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত করাÑ সেইটি হচ্ছে না। বরাবরের মতোই চেয়ারপারসন ও মহাসচিব নেতা নির্বাচন করবেন। এর আগে আওয়ামী লীগের যে কাউন্সিল হয়েছে সেখানেও দলের সভানেত্রী ও সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের উপর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার জন্য। ঠিক একই নিয়ম অনুসরণ করতে যাচ্ছে বিএনপি।

সূত্র জানায়, বিএনপি এই ভাবে আগের মতো কমিটি করলে এ নিয়ে নেতাকর্মীর মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ বিরাজ করলেও তা উপেক্ষাই করা হবে। একজন নেতা বলেন, গতবার কমিটি ঘোষণা করার পর অনেক নেতাই কাক্সিক্ষত পদ না পাওয়ার কারণে হতাশ হয়েছেন। বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য যারা করেছেন তাদেরকে তেমন ভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এদিকে ওই সময়ে তার জন্য অনেক করেছেন কিন্তু তেমন কিছুই পাননি এমন ক্ষুব্ধ এক নেতা বলেন, আমি যেখানে ছিলাম। সেখান থেকে আমাকে আরো কম গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে। যেটি ছিল আমার ধারণারও বাইরে। এ কারণে পরে যে পদ দিয়েছিল ওই পদ প্রত্যাখ্যানও করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দলের প্রতি আন্তরিকতা থেকেই তা করিনি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার উদাহরণ টেনে বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সময়ে যারা তার জন্য যতটুকু করেছেন তিনি তাদের সবাইকে সেই ত্যাগের ও শ্রমের মূল্য দিয়েছেন। সম্মানিত করেছেন। পদে অধিষ্ঠিত করেছেন। আগামী দিনে তারা শেখ হাসিনার জন্য প্রাণ দিতেও দ্বিধা বোধ করবেন না। কারণ তারা বুঝে গেছেন তাদের ত্যাগ ও শ্রম বৃথা যাবে না। কিন্তু আমাদের দলে তা নেই। আমরা যারা ত্যাগ স্বীকার করেছি তারা কী বা পেয়েছি। এখন এটাই সান্ত¡না খুঁজি যে সবার মূল্যায়ন সব সময় এক রকম হয় না।

সূত্র জানায়, খন্দকার দেলোয়ার হোসেন মারা যাওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়। গত কাউন্সিলে বেশ কয়েকজন নেতা দলের মহসচিবের পদ পাওয়ার জন্য চেষ্টা তদবির করেন। অনেকে লবিয়িংও করেছেন। তবে কোনো কাজ হয়নি। গতবার মহাসচিবের পদের জন্য প্রতিযোগিতা থাকলেও এবার তা তেমনভাবে নেই। বিএনপি চেয়ারপারসনের একজন উপদেষ্টা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম। সৎ ও যোগ্য নেতা। তিনি অন্য রকম মানুষ। চেয়ারপারসন তাকে দায়িত্ব দেয়ার পর দলের জন্য কাজ করে গেছেন। কয়েকবার কারাবরণ করেছেন। রিমান্ডে নিয়েও নির্যাতন করা হয়েছে। বিএনপির সরকারবিরোধী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ের আন্দোলন থামিয়ে দেয়ার জন্য সরকার তাকে একের পর এক মিথ্যে মামলায় জড়িয়েছে। আসামি করেছে। গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। সরকার তাকে বার বার আটক করলেও আটকে রাখতে পারেনি। তিনি সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার দিন থেকেই তিনি দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এত কিছুর পরও তার মধ্যে এতটুকু দায়িত্বে গাফলতি নেই। হাতাশা নেই। ভয় নেই। তিনি আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। আর এই বিবেচনা করেই তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করার জন্যও অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাব বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দেয়া হয়েছে। তার ত্যাগ তিতিক্ষাকে বিবেচনা করে ও দলের জন্য আগামী দিনের সংকট মোকাবিলার জন্য তাকে এখন আর ভারপ্রাপ্ত না করে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করাই ঠিক হবে।

এ ব্যাপারে বিএনপি চেয়ারপারসনের ঘনিষ্ঠ এক নেতা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলামকে পুরো মহাসচিব করা উচিত। কিন্তু তা করা হবে কি না এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এর কারণ বিএনপিতে শেষ মুহূর্তে কী হবে তা বলা যাচ্ছে না। মির্জা ফখরুল ইসলামকে স্বপদেই বহাল রাখা হবে এমনটাই জানি। তারপরও নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে বিএনপির গঠনতন্ত্র কমিটির একজন সদস্য বলেন, আগামী ১৯ মার্চ কাউন্সিল হচ্ছে। আর এই কাউন্সিল করার আগেই গঠনতন্ত্রে বেশ কয়েকটি সংশোধনী আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এই সংশোধনী আনার জন্য সহসাই কনস্টিটিউশনাল কমিটি বৈঠকে বসবে। বৈঠকে বসে সেখানে আলোচনা করা হবে কী কী পরিবর্তন করা যায়। এর মধ্যে যে দুটি বিষয়ে পরিবর্তন আনা হবে বলে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে সেখানে রয়েছেÑ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের পদ বিলুপ্ত করে কো-চেয়ারম্যানের পদ তৈরি ও কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধানের বিষয়টি সম্পৃক্ত করা।

সূত্র জানায়, গতবার কাউন্সিলে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে সেখানে নতুন করে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদ তৈরি করে দলের যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ওই পদে অধিষ্ঠিত করা হয়। কিন্তু পরে দেখা গেছে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের শব্দটি শুনতে অতটা ভালো নয়। তা ছাড়া কেউ কেউ এটা নিয়ে কনফিউশনও তৈরি করে ফেলেন। যদিও গতবারই বিএনপির চেয়ারম্যানের এক উপদেষ্টা প্রস্তাব দিয়েছিলেন তারেক রহমানের জন্য কো-চেয়ারম্যানের পদ তৈরি করার। কিন্তু ওই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া তা করেননি। কেন করেননি এর ব্যাখ্যাও দেননি। পরে দেখা গেছে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি অন্য ভাইস চেয়ারম্যানের পদের মতোই মনে হয়েছে। ওই পদটি যে চেয়ারপারসনের পরের পদ এবং ক্ষমতাও অপরিসীম। চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতি ও অবর্তমানে তিনি দলের সবÑ এটা গঠনতন্ত্রে বলা হলেও ওই ভাবে স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি। এই কারণে এবার গঠনতন্ত্র সংশোধন করে কো-চেয়ারম্যানের পদটি তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। গঠনতন্ত্র কমিটি এটা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত করবেন। এ ছাড়াও বিএনপির গঠনতন্ত্রে শাস্তির বিধানটি তেমন সুস্পষ্টভাবে নেই। এ কারণে কিছু সমস্যাও তৈরি হয়। এই সব সমস্যা এড়াতেই এবার গঠনতন্ত্রে শাস্তির বিধানটি স্পষ্ট করা হবে।

গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটির আইনজ্ঞ এক সদস্য বলেন, কনস্টিটিউশনটি আমরা পর্যালোচনা করছি। সেখানে তেমন বড় ধরনের কোনো ভুল-ত্র“টি না থাকলেও ছোট-খাটো কিছু সমস্যা রয়েছে। এই দুটি ছাড়াও ওই সব বিষয় সংশোধন করা প্রয়োজন। আমরা বৈঠক বসেই এসব চূড়ান্ত করে ফেলব।

সূত্র জানায়, বিএনপির কাউন্সিল ১৯ মার্চ শুরু হবে সকালেই। প্রথমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, এরপর কাউন্সিলের মূল কাজ শুরু হবে। সারাদিন ব্যাপী চলবে।

সূত্র জানায়, বিএনপির কাউন্সিলে গতবারের মতো এবারও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। গতবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি উপস্থিত না হলেও তার প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলেন। এবারও রীতি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ ছাড়াও আমন্ত্রণ জানানো হবে বিএনপির ১৮ দলীয় জোটের শরিক দলের নেতাদের। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈদিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। বিকল্প ধারার ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, গণফোরামের ড. কামাল হোসেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকেও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সম্পৃক্ত নেতারা কাউন্সিল অনুষ্ঠান সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য কাজ করছেন। বেগম খালেদা জিয়া সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে এলে তার সঙ্গে এনিয়ে তারা বৈঠক করবেন।সূত্র:আমাদের সময়

Print Friendly

মন্তব্য ফরম

Your email address will not be published. আবশ্যিক *

*
*

সর্বশেষ সংবাদ

প্রতিনিধি আবশ্যক :: বৃটেন থেকে পরিচালিত জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল gbnews24.com এর জন্য ইউরোপ আমেরিকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিধি আবশ্যক। আমাদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিকদের যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। E-mail: [email protected] Phone: 00447931705293